ঘূর্ণিঝড়ে পরিবর্তিত হচ্ছে ‘যশ’, মোকাবিলায় প্রস্তুতি নিচ্ছে রাজ্য সরকার

নিজস্ব প্রতিবেদন: প্যাচপেচে গরমের চোটে নাজেহাল হয়ে যাচ্ছে সাধারণ মানুষ, একটু স্বস্তির জন্য চাই বৃষ্টি। কিন্তু দেখা নেই সেই বৃষ্টিরও। এরই মধ্যে পূর্ব-মধ্য বঙ্গোপসাগরে তৈরি হচ্ছে নিম্নচাপ। ঘূর্ণাবর্তে পরিবর্তিত হতে পারে বলেই মনে করছে আবহাওয়া দপ্তর। আবহাওয়া দপ্তরের খবর অনুসারে, সুন্দরবনে আছড়ে পড়তে পারে এই ঘূর্ণিঝড়। তারপর দিক পরিবর্তন করে যেতে পারে বাংলাদেশের দিকে।

বঙ্গোপসাগর উপকূলবর্তী এলাকায় ২৩ থেকে ২৫ শে মে-র মধ্যে আছড়ে পড়বে ঘূর্ণিঝড় যশ। আরও জানা গিয়েছে, ওমান নামাঙ্কিত এই ঘূর্ণিঝড় আমফানের থেকেও বেশি শক্তিশালী হতে পারে। বুধবার কলকাতা শহরে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসের আশেপাশে এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৩০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের আশেপাশে। সকালের দিকে মেঘ বৃদ্ধি পাবে এবং রাতের দিকে আংশিক মেঘলা আকাশ থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। ২৩মে রবিবার আছড়ে পড়তে পারে এই ঘূর্ণিঝড়। যার নামকরণ করা হয়েছে ‘যশ’। এর জেরে এই মাসের শেষে প্রবল ঝড়, বৃষ্টির আশা করা যায়। এর তীব্রতা আমফানের থেকেও বেশি হওয়ার সম্ভবনা আছে।

উপকূলীয় অঞ্চলগুলিতে আগাম সুরক্ষা জারি করা হয়েছে। ইতিমধ্যেই তার প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছে রাজ্য। দক্ষিণ ২৪ পরগণার জেলা প্রশাসনের তরফে বৈঠক করে প্রথমেই ওই ক’দিন মৎসজীবীদের সমুদ্রে যাওয়া নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এছাড়াও নেওয়া হয়েছে আরও নানা প্রস্তুতি। উল্লেখ্য, গত বছরের আমফানের দাপটে লণ্ডভণ্ড হয়ে গিয়েছিল গোটা রাজ্য। সেই স্মৃতি এখনও বেশ টাটকা। তাই বিন্দুমাত্র ঝুঁকি না নিয়েই ঘূর্ণিঝড়ের মোকাবিলায় বৈঠক হয়ে গেল রাজ্যে।

Back to top button