প্রধানমন্ত্রী পদের জন্য শ্রেষ্ঠ কে? মোদী, মমতা, রাহুল না কেজরিওয়াল, সমীক্ষায় উঠে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য

নিজস্ব প্রতিবেদনদেশের অর্থনৈতিক অবস্থা যেভাবে ভেঙে পড়েছে, বেকারত্ব বেড়েছে, অনেক পরিবার যেরকম ভাবে দারিদ্র্যসীমার নিচে নেমে গেছে, এছাড়া করোনাকালে মোদি সরকার যেভাবে দেশকে সামনে তা নিয়ে তো শুধু জাতীয় সংবাদ মাধ্যম নয় আন্তর্জাতিক স্তরে সমালোচনা শুরু হয়েছে। ভারতের জিডিপি গতবছর ওই প্রথম বার একধাক্কায় অনেকটাই নেমে গিয়েছিল।

জুলিয়া সরকার এখন নাজেহাল সাধারণ জনগণ এখন সরকারবিরোধী হচ্ছে। সরকারি কোনো পদক্ষেপই মেনে নিচ্ছে না সাধারণ মানুষ। এইসব সমীক্ষার জন্য সমীক্ষক সংস্থা সি-ভোটার ৫৪৩ টি লোকসভার প্রায় ১ লক্ষ্য ৩৯ হাজার মানুষের ওপর সমীক্ষা চালায়।

জনগণকে প্রশ্ন করা হয় ৩৭০ ধারা বিলোপ, রাম মন্দিরের রায়, ভ্যাকসিন বন্টন নীতি সরকারের বিদেশ নীতি, লকডাউনের পদক্ষেপ নিয়ে। কেউ মোদির পক্ষে ছিল, কেউবা তাকে অসমর্থন করেছেন। এবার প্রশ্ন করা হবে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে কে বেশি যোগ্য?

যখন একাধিক নীতির সমালোচনা, এনআরসি, সিসিএ, কৃষি বিল নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে জাতীয় সম্মান নন্দন থেকে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম সেখানে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে মানুষ মোদিকেই বেছে নিয়েছেন। নদীর নাম ছাড়া শোনা গিয়েছিল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, রাহুল গান্ধী, অরবিন্দ কেজরিওয়াল,প্রমুখ।

নরেন্দ্র মোদিকে ৪২ শতাংশ মানুষ ভোট দিয়েছেন এই সমীক্ষাতে। ১২ শতাংশ মানুষ ভোট দিয়েছে রাহুল গান্ধীকে, ৬ শতাংশ মানুষ কেজরিওয়ালকে এবং ৪ শতাংশ মানুষ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। পশ্চিমবঙ্গে তৃতীয়বারের জন্য সরকার গঠন করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সাড়া ফেলে দিয়েছে সারা দেশে। দিল্লিবাসী কয়েকদিন আগে ‘মমতাকে চাই’ বলে তারা যে গুঞ্জন তুলেছিল তার এক দৃষ্টান্ত পাওয়া গেল এই সমীক্ষার মাধ্যমে।

পরীক্ষা দেয়ার একটি প্রশ্ন ছিল সেটি হলো সরাসরি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে বাছতে হলে কাকে বাছবেন রাহুল গান্ধীর নাকি নরেন্দ্র মোদি। সেখানে নরেন্দ্র মোদিকে বাছাই করেন ৫০ শতাংশ মানুষ। ৩০ শতাংশ মানুষ রাহুল গান্ধীকে, ১০ শতাংশ মানুষ বলেন কাউকেই নয় আবার ১০ শতাংশ মানুষ উত্তর দেন না। সমীক্ষায় একটা জিনিস স্পষ্ট, মোদীর নামে সংবাদমাধ্যম একাধিকবার প্রশ্ন তুললেও তাঁর জনপ্রিয়তায় কোন দাগ পড়েনি। যদিও লোকসভার এখনো অনেক দেরি, এর মধ্যে মানুষের মতামতের কোনো পরিবর্তন হয় কিনা সেটিই দেখার।

Back to top button