ইয়াসের তান্ডব মিটতে না মিটতেই রেডি পরের ঘূর্ণিঝড়, নাম গুলাব

নিজস্ব প্রতিবেদনএই মুহূর্তে ইয়াসের তাণ্ডবে তছনছ পুরো বাংলা এবং ওড়িশার উপকূলবর্তী অঞ্চলগুলি। ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছেন লক্ষাধিক মানুষ, তলিয়ে গিয়েছে বহু বাড়িঘর। বাংলাতেও ক্ষয় ক্ষতির পরিমাণ যথেষ্ট ভয়াবহ। বিশেষত উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা এবং দুই মেদিনীপুরে অবস্থা অত্যন্ত সংকোটজনক। ইতিমধ্যেই মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছে যে প্রায় ৩ লক্ষের বেশি বাড়িঘর ভেঙ্গে গিয়েছে।

আগামীকাল ঝড় কবলিত এলাকাগুলি পরিদর্শনে যাবেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।এই মারাত্মক ঘূর্ণিঝড়ের ইয়াস ঝড়টির নামকরণ করেছিল ওমান। যার অর্থ সুগন্ধী ফুল। অন্য আর এক অর্থে অবশ্য দুঃখ-দুর্দশাও বোঝায়। এবার যশের পরের ঘূর্ণিঝড়ের আগাম নামকরণ করলো পাকিস্তান। নাম দিয়েছে ‘গুলাব’ বা গোলাপ।

মূলত এই ঘূর্ণিঝড়ের নামকরণ এর দায়িত্ব আছে বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা বা ডাব্লু এম ওর উপর। তবে এশিয়ার ক্ষেত্রে সেই দায়িত্ব পালন করে ইকনমিক অ্যান্ড সোশ্যাল কমিশন ফর এশিয়া অ্যান্ড দ্য প্যাসিফিক নামক একটি সংস্থা। যার মধ্যে পরে মোট ১৩টি দেশ ভারত, ইরান, মলদ্বীপ, বংলাদেশ, মায়ানমার, ওমান, পাকিস্তান, কাতার, সৌদি আরব, শ্রীলঙ্কা, থাইল্যান্ড, দ্যা ইউএই এবং ইমিন।

২০০৯ সালে বাংলায় আছড়ে পড়া বিখ্যাত ঘূর্ণিঝড় ছিল আয়লা।নামকরন করেছিল মালদ্বীপ। গতবছর আছড়ে পড়া আমফান ঝড়ের নামকরণ করে থাইল্যান্ড। ফনি নাম দিয়েছিল বাংলাদেশ, সাম্প্রতিককালে আছড়ে পড়া তাওকতে ঝড়ের নামটি রেখেছিল মায়ানমার। গতবছরের ‘বুলবুল’ ঝড়ের নামকরন করে পাকিস্তান।

ভারতের তরফেও বেশ অনেক গুলো নাম প্রস্তাব করা হয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে মেঘ, লহর, অগ্নি, বিজলী ইত্যাদি৷ নামের ক্ষেত্রে ছোট শব্দ ব্যবহার করাই বাঞ্ছনীয় এবং অবশ্যই তার সহজ হতে হবে। কারণ সচেতন করাই নামকরণের প্রধান উদ্দেশ্য।।

Back to top button