একমাস পরেও অব্যাহত ভোট পরবর্তী হিংসা! প্রশাসনের আশ্বাসে ঘরে ফেরার পরেই আক্রান্ত বিজেপি কর্মী

নিজস্ব প্রতিবেদনএকুশের ভোট নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর থেকে গোটা বাংলা জুড়ে এক তান্ডব শুরু হয়। আর তার কারণে বহু বিজেপি কর্ম সমথকেরা ঘর ছাড়া হয়, পালিয়ে যায় অন্য জায়গায়। জানা যায় প্রীতিহিংসা চরিতার্থ করতে এই ঝামেলা শুরু হয়। পালিয়ে যাওয়া এইসব বিজেপি কর্মীদের ঘরে ফেরানো নিয়েও ঘটছে একেরপর এক ঘটনা। বিজেপির তরফ থেকে দাবি করা হয়েছে যে, কাউকে কাউকে জরিমানা দিতে হচ্ছে, আবার কাউকে মারও খেতে হচ্ছে। প্রশাসন আশ্বাস দিচ্ছে ঘরে ফিরিয়ে আনার কিন্তু তার পরেও একই ঘটনা ঘটল পূর্ব বর্ধমানের বৈকন্ঠপুর দু’নম্বর পঞ্চায়েতের শ্রীরামপুর নামক এক গ্রামে।

তৃণমূলের বিপুল ভোটে জয়ের পর থেকেই ঘর ছেড়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন শ্রীরামপুর গ্রামের বিজেপি বুথ সভাপতি সাগর পন্ডিত। একটি বেসরকারি অফিসে তিনি কাজ করেন। কিছুদিন আগে জেলা বিজেপির পক্ষ থেকে পুলিশের কাছে আবেদন করা হয় যে ঘর ছাড়া হয়েছে যারা তাদের ঘরে ফেরানোর জন্য।প্রশাসনের হাত ধরেই গ্রামে ফেরেন সাগর। কিন্তু হঠাৎই মঙ্গলবার তার অফিস যাবার পথে কিছু স্থানীয় তৃণমূল সাথে বিমান ঘোষ তাকে যেতে বাধা দেন বলে অভিযোগ করেন তিনি। তার মোটরসাইকেল থামিয়ে কেড়ে নেয় তার হেলমেট। তারপর গালিগালাজ করতে শুরু করে তারা। আর তার পরে হঠাৎই হেলমেট দিয়ে সজোরে আঘাত করে সাগর বাবুর মাথায়। ঘটনাস্থলেই জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন তিনি।বর্তমানে দলীয় কর্মীরা তাকে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করেছেন। বর্ধমান থানায় এই ঘটনার পরিপেক্ষিতে অভিযোগ দায়ের করা হয়, তৃণমূলের অভিনেতা বিমান ঘোষের বিরুদ্ধে।

সাগরবাবুর দাবি করেন যে, শ্রীরামপুর গ্রামে যথেষ্ট ভালো ফল করেছে বিজেপি, আর ঠিক সেই কারণেই তার ওপর এই ধরনের অত্যাচার করা হয়েছে। বিজেপি নেতাদের তরফে জানানো হয় যে, মাঠের ফসল নষ্ট হচ্ছে মাঠেই অথচ ফিরতে পারছেন না বিজেপি সমর্থক কৃষকেরা। তবে পুলিশ প্রশাসনের তরফ থেকে নগেন্দ্র ত্রিপাঠী জানিয়েছিলেন যে, তাদের কাছে তালিকা জমা দিলেই ঘরে ফেরানোর ব্যবস্থা শুরু করা হবে, ঘরছাড়া বিজেপি কর্মীদের ফিরিয়ে নিয়ে আসা হবে। কিন্তু প্রশাসনের এই আশ্বাসে ঘরে ফেরার পর এই ধরনের ঘটনার সাক্ষী হয়ে থাকলেন সাগর বাবু।।

Back to top button