সন্তান কোলে নিয়ে ভি’ক্ষা করে প্রতি মাসে ইনকাম প্রায় ১৯ লক্ষ টাকা এই যু’ব’তী’র

নিজস্ব প্রতিবেদন: প্রায় মধ্যযুগ থেকে এই সমাজে ধনী দরিদ্র-এর বিষয়ের আবির্ভাব। যাদের অর্থবিত্ত, সম্পত্তির কোন অভাব নেই তারা ধনী, আর অভাব-অনটনে দিন কাটানো মানুষগুলো গরীব।

আমরা আমাদের চারপাশে অনেক মানুষকে ভিক্ষা করতে দেখতে পাই। অনেক ক্ষেত্রেই তাদের ভিক্ষা করার পিছনের কারণ সম্পূর্ণ মিথ্যা হয়। কেউ কেউ মিথ্যা অভিনয়ের মাধ্যমে ভিক্ষাকে ব্যবসা বানিয়ে নিয়েছে। সবথেকে বড় প্রশ্ন, যাদের এত অভাব-অনটন তারা কেন ভিক্ষার পথ বেছে নিচ্ছেন? কেন খেটে কিছু করার চেষ্টা করছেন না?

কিছু কিছু ক্ষেত্রে তো এইসব ভিখারিদের সঙ্গে আন্ডারওয়ার্ল্ড ব্যবসায়ীদের যোগাযোগ থাকে। তারা ভিখারিকে পেশা হিসেবে বেছে নিয়েছে। আজকের আলোচ্য বিষয়ে এক মহিলাকে নিয়ে, যিনি আরবে ঘুরতে এসে ভিখারি পেশার সঙ্গে যুক্ত হয়ে যান। এই মহিলা মাসে কেবলমাত্র ভিক্ষার মাধ্যমে ভারতীয় মূল্যে প্রায় ১৯ লক্ষ টাকা রোজগার করেন। সংযুক্ত আরব আমিরশাহী তে ঘটনাটি ঘটেছে, সেখানকার পুলিশ গ্রেফতার করেছে মহিলাটিকে।

দুবাই পুলিশের দুই কর্মকর্তা ব্রি আব্দুল হামিদ এবং আব্দুল্লাহ আল হাসিমি বলেন,” ওই মহিলা আরবের বাসিন্দা নন। দুবাইতে ঘুরতে এসে কোন পর্যটন কোম্পানির মাধ্যমে এই ভিক্ষাবৃত্তিতে যুক্ত হয়ে যান তিনি।এই মহিলা ১ লাখ দিরহাম আয় করেছেন গত একমাসে।”

তারা জানান,” কোন টুরিস্ট কে ভিক্ষা করতে গেলে ২ হাজার দিরহাম জরিমানা দিতে হবে। সে যে প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে এসেছে সেই প্রতিষ্ঠানকেও জরিমানা দিতে হবে। সেইসব প্রতিষ্ঠানগুলিকে কালো তালিকাভুক্ত করা হবে যেসব প্রতিষ্ঠান তরফ থেকে এই ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটবে।”

দুবাইয়ের এক সংবাদমাধ্যম খালিজ টাইমস জানায়,” ২০১৮ সাল থেকে এই ঘটনায় দুবাই পুলিশ মোট ২৪৩ জনকে গ্রেপ্তার করেছে। রোজার মাসে ভিখারি সংখ্যা বেড়ে যায় দেশে, যার ফলে এখানকার পুলিশ তৈরি থাকে এইসব ব্যবসা করা ভিকারি কে সামাল দিতে।”

Back to top button