এই ৬ টি ঘটনা চোখে আঙুল দিয়ে দেখাচ্ছে মমতা দেশের সেরা ক্ষমতাশালী মুখ্যমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদন: মমতা ব্যানার্জির লড়াকু মনোভাবের জন্য সবাই তাকে বাহবা জানাচ্ছে একের পর এক বিশ্বস্ত সৈন্যদের হারানো সবার হাসির পাত্র হয়ে ওঠা তারপর বিভিন্ন রকম সমালোচনার মুখে পড়তে হলেও লড়াই করতে বলে মমতা ব্যানার্জি এই জন্যই তিনি হ্যাটট্রিক করলেন মুখ্যমন্ত্রী পদে তিনি এই নিয়ে তিন তিনবার পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী হলেন। একুশের নির্বাচনের হাড্ডাহাড্ডি লড়াই ছিল কার্যত তৃণমূল এবং বিজেপির মধ্যে। তবে বিজেপি কিন্তু মমতা-ম্যাজিকের কাছে রীতিমতো কুপোকাত।

সারা ভারতবর্ষ জুড়ে যারা রাজত্ব করছেন, বাংলার একা এক মহিলা দলনেত্রীর কাছে পরাজয় স্বীকার করতে বাধ্য হয়েছেন তারা।আর এই সমস্ত কাজের জন্য তাকে সবাই বাহবা চালাচ্ছেন তাই নয় এমনকি অনেকে মনে করছেন তিনি অন্যতম শক্তিশালী একজন মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার যোগ্য দাবিদার তবে এই মন্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে বেশকিছু তথ্য উল্লেখ করাই যায়।

১. দেশের তাবড় তাবড় বিজেপির নেতাদের ব্যর্থ করা- বাংলায় নিজেদের আধিপত্য বিস্তার করার জন্য বাংলাতে এসেছেন একের পর এক হেভিওয়েট নেতা রা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি থেকে শুরু করে অমিত সাহা জেপি নাড্ডাদের নেতৃত্বে রাজ্যে বারবার রাজনৈতিক প্রচার সভা, জনসভা, র‍্যালির আয়োজন করা হয়েছে। তাদের সকল প্রচেষ্টাকে ব্যর্থ করে দিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

২. দেশের একমাত্র মহিলা মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে সমর্থন- মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে তিনি দেশে একমাত্র মহিলা মুখ্যমন্ত্রী পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি তামিলনাড়ু মুখ্যমন্ত্রী জয়ললিতা পর তিনি এক মুখ্যমন্ত্রী তিনি এতদিন ধরে মুখ্যমন্ত্রী পদে বিরাজমান রয়েছে আর এর ফলেই ভোটারদের বড় অংশই সমর্থন রয়েছে তার  দিকে।

৩. মোদী বিরোধী জোটের অন্যতম সেরা মুখ- যেহেতু মমতা ব্যানার্জির তৃনমূলের সামনে একমাত্র কাটা হয়ে দাঁড়িয়েছিল নরেন্দ্র মোদির বিজেপি সরকার সেহেতু তৃণমূলকে জিততে গেলে বিজেপিকে হারানো ছিল গুরুত্বপূর্ণ আর একুশের ভোটে বিজেপিকে হারিয়ে নিজের স্থানটা আরো শক্তিশালী করে নিল তৃণমূল সরকার তথা মমতা ব্যানার্জি।

৪. নরেন্দ্র মোদী ও অমিত শাহ জুটিকে হারানোর ক্ষমতা- দেশের সমগ্র জায়গায় দাপিয়ে বেড়াচ্ছে নরেন্দ্র মোদিকে অমিত শাহের জুটি তারা বাংলাতে রাজ করতে এসেছিল বাংলা তে এসে তাদের প্রধান উদ্দেশ্য ছিল তাহলে সরকারকে ভোটে জেতানো তবে সামনে ভাঙ্গা পায়ে দাঁড়িয়ে ছিলেন এক খেলোয়ার তিনি আর কেউ নন তিনি হলেন জননেত্রী মমতা ব্যানার্জি তার কাছেও এই দুই জুটি কিছুই নয় বরং হার মানতে হলো মমতা ব্যানার্জির কাছে। ফলে স্বভাবতই ভবিষ্যতে বিজেপি বিরোধীশক্তি হিসেবে আত্মপ্রকাশ করার সম্ভাবনা রয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের।

৫. সবসময় মোদি বিরোধী ঝড় তোলা- তিনি শুধুমাত্র এজে তৃণমূলের হয়ে প্রচার করে দিয়েছেন তা নয় তিনি তার সমস্ত সভাতে মোদি বিরোধী ঝড় তুলেছে যা তাকে ভোটে জিততে ওতপ্রোতভাবে সাহায্য করেছে

৬. বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলির সমর্থন- ভোটে জেতার পরে তৃণমূল বিরোধী যে সকল রাজনৈতিক দলের নেতা-নেত্রীরা রয়েছেন তারা সবাই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন এবং রাজনৈতিক শিবিরে তার প্রাধান্য যথেষ্ট বেড়ে গিয়েছে তার প্রমাণ মিলেছে ব্রিগেডে বহুবার।

এই কারণগুলির জন্যই প্রধানত রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের ধারণা ২০২৪ এর লোকসভা নির্বাচনে মোদির বিরুদ্ধে বেশ শক্তিশালী অবস্থান নিতে পারেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে মমতার পরবর্তী পদক্ষেপ কী হবে, তা সময়ই বলবে।

Back to top button