ধর্ষণের শাস্তি স্বরূপ যৌনাঙ্গ কেটে এক যুবককে খুন করল দম্পতি! জেনে নিন বিশদে

নিজস্ব প্রতিবেদন: কখনো কখনো এমন ঘটনার সম্মুখীন আমাদের হতে হয় যা রীতিমত হতভম্ব হয়ে যেতে হয়। অপরাধের প্রতিবাদ করে আরেকটি অপরাধ করাও আইনের চোখে সমান অপরাধ করা হয়। যদিও অনেক সময় উচিত-অনুচিতের হিসেব অনেক সময় গুলিয়ে যায় মানুষের কাছে।এক ধর্ষকের যৌনাঙ্গ কেটে তাকে খুন করে পুলিশের হাতে ধরা পড়লেন এক দম্পতি। মৃত সেই ধর্ষকের নাম হাবিবুল্লা।তার পরিবার সূত্রে জানা যায় লকডাউনের আগে গুজরাটের এক হোটেলে কাজ করতেন তিনি। লকডাউনের কারণে কাজ ছেড়ে সেখান থেকে ফিরে আসেন। পুলিশ জানিয়েছে, এই ঘটনা ঘটার আগের রাতে স্ত্রীকে বাপের বাড়ি পৌঁছে দিতে গিয়েছিলেন তিনি। সেখান থেকে ফিরে এসে একটি অনুষ্ঠান বাড়িতেও যান তিনি। কিন্তু সেখান থেকেই আর ফিরে আসেননি।

হাবিবুল্লার খুনের দায়ে অভিযুক্ত ওই ধর্ষিত মহিলা জানিয়েছেন যে, ঐদিন আরো দুই বন্ধু ছিল।তারা সবাই মিলে তাকে ধর্ষণ করে।সেই কারণেই প্রথমে তার যৌনাঙ্গ কাটে পরে তার গলার নলি কেটে তাকে খুন করে এবং তাকে উপযুক্ত শাস্তি দিয়েছেন তিনি। ধর্ষকের শাস্তির ব্যাপারে তাকে পূর্ণ সহায়তা করে তার স্বামীও। অন্য দুই অভিযুক্তকেও এই মুহূর্তে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তবে খুনি ধরা পড়লেও এ বিষয়ে ধোঁয়াশা এখনো পুরোপুরি কাটেনি। কারণ পুলিশ জিজ্ঞেস করেছিল, ধর্ষিত হওয়ার পর তিনি কেন আইনের সাহায্য নেন নি মহিলা কিন্তু এর কোনো সদুত্তর দিতে পারেননি । তাই পুলিশের অনুমান, স্বামী খুন করেছে। এবং স্বামীকে খুনের দায় থেকে বাঁচাতে এ ধরনের ঘটনার কথা বানিয়ে বলছেন ওই মহিলা।

যদিও এ বিষয়ে এখনও তেমন কোন প্রমাণ পাওয়া যায়নি। সেভাবেই ধর্ষণেরও কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি। অন্যদিকে হাবিবুল্লার পরিবারে বৃদ্ধ বাবা-মা স্ত্রী ছাড়াও রয়েছে একটি এক বছরের মেয়ে। পরিবারের তরফে জানা গিয়েছে, আয় করার মতো সদস্য ছিলেন হাবিবুল্লাই। তিন দিন আগে গুরুতর আহত অবস্থায় একটি মাঠের মধ্যে পাওয়া যায় তাকে। হাসপাতালে নিয়ে যেতে যেতেই পথেই মৃত্যু হয়। নিহতের পরিবারের দাবি যে, সম্পূর্ণ মিথ্যা অভিযোগ আনা হয়েছে হাবিবুল্লার ওপর। ঘটনাটি এখন খতিয়ে দেখছে এবং তদন্ত শুরু করছে পুলিশ।

Back to top button