৭২ ঘণ্টার মধ্যে মন্ত্রীদের থেকে হিসেব জেনেই দুর্গত এলাকা পরিদর্শনে যাবেন মুখ্যমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদন: ঘূর্ণিঝড় যশের দাপট কমে যাওয়ার পরে ধীরে ধীরে সামনে আসে বিভিন্ন জায়গার ক্ষয়ক্ষতির ছবি মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন ঝড়ের দাপটে রাজ্যের প্রায় এক কোটি মানুষের ক্ষতি হয়েছে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে 3 লক্ষের বেশি বাড়ি বাঁকুড়া জেলার প্রশাসনিক সূত্রে খবর পাওয়া গিয়েছে সেখানে 1067 ত্রাণ শিবিরে আশ্রয় নিয়েছে হাজার হাজার মানুষ ঝড়ের পূর্বাভাস এর কথা মাথায় রেখে সোমবার থেকেই জেলায় জেলায় ত্রাণশিবির খুলেছে প্রশাসন যশ এর সর্বাধিক প্রভাব পড়ার সম্ভাবনা ছিল দক্ষিণ বাঁকুড়ায় বিভিন্ন ব্লগগুলিতে এই ব্লগগুলিতে কাঁচাবাড়ি সংখ্যা সবথেকে বেশি হওয়ায় ক্ষয়ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা ছিল অনেক বেশি আর সেই কথা মাথায় রেখেই সেখানে ত্রাণ শিবির করা হয়েছিল

বুধবার বিকেলে সাংবাদিক বৈঠক করে বিদ্যুৎ মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস বলেন, ‘‘মুখ্যমন্ত্রী ৭২ ঘণ্টার মধ্যে রিপোর্ট চেয়েছেন। আমাদের দফতর তা তৈরি করে পাঠিয়ে দেবে।’’ মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে ফোনালাপ নিয়ে  সুন্দরবন উন্নয়নমন্ত্রী বঙ্কিমচন্দ্র হাজরা বলেন, ‘‘মুখ্যমন্ত্রী ২৮ তারিখে দুর্গত এলাকা পরিদর্শনে আসবেন আমাদের আগেই জানানো হয়েছিল। তা সত্ত্বেও তিনি সুন্দরবনে কী পরিমাণ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, তা জানতে আমাকে ফোন করেছিলেন। কপিলমুনির আশ্রম জলমগ্ন হয়ে যাওয়ার কথা যেমন আমি জানিয়েছি। তেমনই অন্য ব্লকগুলিতে প্লাবনের কারণে কী কী ক্ষতি হয়েছে তা-ও জানিয়েছি।’’

বুধবার দুপুর পর্যন্ত জেলা প্রশাসন সূত্রে খবর পাওয়া যায় বাঁকুড়া জেলায় যে কোটিপ্রাণ শিবির খোলা ছিল সে কোটিতে আশ্রয় নিয়েছেন 92 হাজার মানুষ প্রতিটি ত্রাণশিবিরে সরকারি ব্যবস্থাপনা এবং ব্লকের বিভিন্ন ত্রাণ শিবিরে খাদ্য দপ্তরের খতিয়ে দেখেছিলেন রাষ্ট্রমন্ত্রী জ্যোৎস্না মান্ডি বাঁকুড়া শহরের ত্রাণশিবির গুলি প্রদক্ষিণ করেন বোর্ডের সদস্যরা যশ এর ফলে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে 82 টি কাঁচা বাড়ি ঝড়ে গাছ পড়ে গিয়েছে সড়ক পথ আটকে আছে বিদ্যুৎ সংযোগ নষ্ট হয়ে গিয়েছে বিপর্যয় মোকাবিলা করার জন্য কর্মীদের তৎপরতায় দ্রুত কাজ সরিয়ে ফেলা হলে সেখানে চলাচল এখন স্বাভাবিক হয়েছে

Back to top button