বৈষ্ণদেবী মন্দিরে চত্বরে ভয়াবহ আগুন, পুড়ে ছাই প্রচুর টাকা, ডকুমেন্টস

নিজস্ব প্রতিবেদন: ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড বৈষ্ণদেবী মন্দিরে। মঙ্গলবার বিকেলে জম্মু কাশ্মীরে বৈষ্ণদেবী মন্দিরে মাতার ভবনের পাশে লেগে যায় ভয়ানক আগুন। আগুনের তীব্রতা এত বেশি ছিল যে ত্রিকূট পর্বতের মাথা থেকেই ধোঁয়ার কুণ্ডলী দেখা যাচ্ছিল। জানা গিয়েছে, আগুনে দুই ব্যক্তির আহত হয়েছে।

মন্দির কর্তৃপক্ষ সূত্রে খবর, মন্দিরের ক্যাশ কাউন্টারে কোনো কারণে আগুন লেগে যায়। মুহূর্তের মধ্যে গোটা ক্যাশ কাউন্টারটিতে দাউ দাউ করে আগুন জ্বলে ওঠে। মন্দির চত্বরে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। আগুন লাগার পরপরই অগ্নি নির্বাপন যন্ত্র দিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টায় নামে মন্দিরের কর্মীরাই এবং সেই আগুন নেভাতে গিয়েই দুই ব্যক্তি সাংঘাতিক ভাবে আহত হন। জানা গিয়েছে, মাতার ভবনের কোনও ক্ষতি হয়নি। করোনা পরিস্থিতি ও লকডাউনের কারণে মন্দিরে ভক্ত প্রবেশ নিষিদ্ধ ছিল বলেই বড়সড় দুর্ঘটনা এড়ানো গিয়েছে।

পাহাড়ের মাথায় ৫২ হাজার ফুট উঁচুতে অবস্থিত বৈষ্ণদেবীর মন্দির। কথায় বলে, মাতার ডাক না এলে সেখানে দর্শনে কেউ যেতে পারেন না। ১৪ কিলোমিটারের কঠিন রাস্তা অতিক্রম করে বৈষ্ণমাতার দর্শনের মন্দিরে পৌঁছতে হয় ভক্তদের। কথায় আছে, বহু বছর পূর্বে ভারতের দক্ষিণের বাসিন্দা রত্নাকর সাগর এবং তার স্ত্রী সন্তান লাভের জন্য ব্যাকুল হয়ে উঠেছিলেন।

তারপর তাঁদের একটি মেয়ে সন্তান জন্ম গ্রহণ করলে, তারা শপথ নেন তাঁর ভবিষ্যতে কোন প্রকার হস্তক্ষেপ করবেন না। মাত্র নয় বছর বয়সে রাম ও বিষ্ণু দেবতাকে সন্তুষ্ট করে বৈষ্ণ দেবী নামে পূজিত হন।এরপর নিরাপত্তার জন্য তাঁকে একটি গুহার মধ্যে থাকতে বলেন ভগবান রাম এবং সুরক্ষার প্রয়োজনে তাকে একটি সিংহ ,হনুমান ও তীর-ধনুক দিয়ে যান। এরপর সেই গুহাই বৈষ্ণ দেবীর মন্দির নামে প্রসিদ্ধ হয়।

Back to top button