“শোভনকে বাঁচান ”- কাতর আর্তি জানিয়ে বিজেপি নেতাকে ফোন বৈশাখীর

নিজস্ব প্রতিবেদননারদার মামলায় সিবিআইয়ের হাতে গ্রেফতার হয়েছেন ফিরহাদ হাকিম, সুব্রত মুখোপাধ্যায়, শোভন চট্টোপাধ্যায় এবং মদন মিত্র। আদালতে ভার্চুয়ালি তাদেরকে পেশ করা হয়েছিলো।জামিনের আবেদন জানিয়েছিলেন শোভন চট্টোপাধ্যায়, ফিরহাদ হাকিম, সুব্রত মুখোপাধ্যায়, এবং মদন মিত্র। হাইকোর্ট জামিন স্থগিত রাখতে বললে তাদেরকে প্রেসিডেন্সি জেলে পাঠানো হয়। শোভন চট্টোপাধ্যায় কে প্রেসিডেন্সি জেলে নিয়ে যাওয়ার সময় বাইরে দরজায় ধাক্কা দিতে থাকেন বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়।

কান্নায় ভেঙে পড়ে তিনি আর বলেন, একবার তাকে দেখা করতে দেওয়া হোক ওনার সাথে।ওনাকে অনেকগুলো ওষুধ খাওয়াতে হবে। এখনো উনাকে কিছু খেতে দেওয়া হয়নি। উনার প্রবল সিওপিডি আছে। উনি ওষুধ না খেলে মারা যেতে পারেন। দরজা না খুললে এখান থেকে তার লাশ উঠবে এমন কোথাও তিনি বলেছেন। আমি ওনার বাড়ির লোক, আমাকে কেন যেতে দেওয়া হচ্ছে না?” প্রশ্ন তুললেন তিনি।গতকাল‌ বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের যথেষ্ট প্রশংসা করতে শোনা যায় এই প্রতিকূল পরিস্থিতিতে তাঁদের পাশে দাঁড়ানোর জন্য।

জানা গিয়েছে যে আজ নাকি বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায় বিজেপি নেতা জয়প্রকাশ মজুমদারকে ফোন করেছিলেন। তাঁকে ফোন করে বৈশাখী কাতর অনুরোধ জানিয়ে বলেন শোভন কে বাঁচানোর কথা। কিন্তু এর উত্তরে জয়প্রকাশ মজুমদার বৈশাখীকে কোনো সাহায্যের আশ্বাস দেননি বলে জানা যাচ্ছে। এদিকে মুখ্যমন্ত্রীর প্রশংসা করা আবার অপরদিকে বিজেপি নেতাকে সাহায্য চেয়ে ফোন, শোভন-বৈশাখীর রাজনৈতিক ক্ষেত্রে যথেষ্ট ধোঁয়াশার তৈরি করেছে।

Back to top button