ঋতুপর্ণা-প্রসেনজিৎ জুটির রাজনীতির জন‍্য নষ্ট হয়ে গিয়েছে কেরিয়ার, বিষ্ফোরক অভিষেক চ্যাটার্জি

নিজস্ব প্রতিবেদনএকসময় বাংলার টলিউড ইন্ডাস্ট্রিতে প্রথম সারির অভিনেতাদের মধ্যে ছিলেন অভিষেক চ্যাটার্জী। অভিনয় জগতে পা রাখেন তরুণ মজুমদারের ‘পথভোলা’ সিনেমার মাধ্যমে। তারপর দর্শকদের মন জয় করেছিলেন একের পর এক হিট ছবি উপহার দিয়ে। বড় বড় অভিনেতাদের সিনেমার সঙ্গে টেক্কা দিতো তার সিনেমাও।

অভিষেক চ্যাটার্জী বাড়িওয়ালী, সংঘর্ষ, দহন, আলো, মায়ের আঁচল, মধুর মিলন, রাজমহল ইত্যাদি সিনেমা উপহার দিয়ে জয় করেছিলেন মানুষের মন। তারা সময়কার নামকরা নায়করা ছিলেন, প্রসেনজিৎ, চিরঞ্জিত, তাপস পাল। তাদের সঙ্গে একসঙ্গে কাজ করতে কোনদিনই না করেননি। বরঞ্চ তাদের সঙ্গেই কাজ করে নিজের অভিনয় দক্ষতার মাধ্যমে তাবড় তাবড় অভিনেতাদের দিকেই চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিতেন।

এমনকি একই পর্দায় স্কিন শেয়ার করেছেন কিংবদন্তি অভিনেতা উৎপল দত্তের সঙ্গে। তবে তিনি মাঝে অভিনয় জগৎ থেকে দূরে সরে গিয়েছিলেন। তারপরে আবার মন জয় করেন ছোট পর্দায় অভিনয়ের মাধ্যমে। স্টার জলসার ধারাবাহিক ‘খড়কুটো’ তে অভিনয় করতে দেখা গিয়েছে গুনগুনের বাবার চরিত্রে।

অভিনয় জগৎ থেকে এত বছর দূরে সরে যাওয়ার বিষয়ে অভিনেতা জানিয়েছেন, বর্তমানে সিস্টেম অনেক পরিবর্তন হয়েছে আগের থেকে। এখন একটি নির্দিষ্ট লবি আছে প্রোডাকশন হাউসের। তারা কাজ করেন একটা সেট অফ আর্টিস্ট নিয়েই। যার ফলে এ সুযোগ পান না পুরানো অভিনেতারা। তাঁর দাবি, জিৎ,দেব এদের বাবার চরিত্রে অভিনয় করতে হবে এতটা বুড়ো তিনি হয়ে যায়নি। সালমান-শাহরুখ নায়কের চরিত্রে অভিনয় করে এখনো।

অভিনয় জগৎ থেকে সরে যাওয়া নিয়ে এক সাক্ষাৎকারে সরাসরি মুখ খুলেছিলেন অভিনেতা। বলেছিলেন,” প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায় ও ঋতুপর্ণা সেনগুপ্তর এই জুটি আমাকে প্রায় ৩০-৩২ টা ছবি থেকে বাদ দেয়। যখন আমি টলিউডের এক নম্বর তখনই প্রায় এক বছর আমার কোন কাজ ছিল না। ডিপ্রেশনে চলে যাই আমি। যাত্রায় যোগ দিয়েছিলাম বছর দুয়েক পরে, তারপর ইন্ডাস্ট্রির সঙ্গে সম্পর্ক বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।” সম্প্রতি তিনি ছোট পর্দায় ফিরে এসেছেন নিজের অভিনয় সত্তাকে কাজে লাগিয়ে। তার অনুরাগীরাও তাকে ফিরতে দেখে বেশ উচ্ছ্বসিত। সম্প্রতি তার অভিনয় জগৎ থেকে বেরিয়ে যাওয়ার এই বিস্ফোরক মন্তব্য প্রকাশ্যে আসে।

Back to top button