ফের শিরোনামে রানু মন্ডল, অসাধারন গান গেয়ে ভাইরাল হলেন নেট দুনিয়ায়

নিজস্ব প্রতিবেদন: রাতারাতি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছিলেন রানাঘাটের রানু মন্ডল। খুব অল্প সময়ে এই সাফল্যের মুখ দেখেছিলেন তিনি। রানাঘাটের রেলস্টেশন থেকে বলিউডের সঙ্গীতজ্ঞ হিসেবে যাত্রাপথ কিন্তু সবাই সহজে জয় করতে পারে না। এর মধ্যে আবার খুব সহজভাবে ইংলিশ বলাও শিখে নিলেন তিনি। সব মিলিয়ে এখন মধ্য গগনে রয়েছেন আমাদের রানু দি।

রানাঘাট স্টেশনের ৬ নম্বর প্ল্যাটফরমে কাটতো রানু মণ্ডলের সময়। নিজের বাসায় যেতেন না। দূর হওয়ার কারণে কিংবা খাওয়া না থাকার কারণে প্ল্যাটফরমেই থাকতেন। খাওয়া পেতেন বা পেতেন না। তিনি গেয়ে যেতেন। গান শুনে কেউ যদি সহায়তা করতে এগিয়ে আসতো তাহলে খাওয়া জুটতো।কিন্তু তারপর হঠাৎ অতীন্দ্র চক্রবর্তী নামে এক ইঞ্জিনিয়ার যুবক রানুদির গানের ভিডিও করে ছেড়ে দেন সোশ্যাল মিডিয়ায়।

তার জনপ্রিয়তা এতটাই দূর পৌছে যায় এতে তিনি বলিউডে গান গাওয়ার সুযোগ পান।এরপর অনেক অ্যালবাম এবং রিয়েলিটি শো তেও গান গেয়েছেন তিনি। যদিও অনেকবার অহংকারী কথা বার্তার জেরে বিতর্কের মুখেও পড়েছেন।কিছুদিন আগেই তার একটি ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রকাশিত হয়েছে। এখানে দেখা যাচ্ছিল ঝরঝরে ইংলিশ বলছেন তিনি।

সম্প্রতি আবারও সোশ্যাল মিডিয়ায় রানু মন্ডল এর একটি গান বেশ ভাইরাল হয়ে উঠেছে।ভিডিওটিতে সকলের অনুরোধে আবার তিনি গেয়ে শোনান তার বিখ্যাত গান “তেরি মেরি কাহানি”। এমনকি গানটিকে অসম্ভব সুন্দরভাবে প্রাকৃতিক দৃশ্যের সাথে নিজেকে দেখান তিনি।মাঝে তিনি গাইতে গাইতে দর্শকদের গাইতে বলেন, মাঝেমধ্যে কিছু সমস্যা থাকলেও তার গলায় উপস্থিত দর্শকরা মুগ্ধ হয়ে যান।এশিয়া নেট নামে একটি ইউটিউব চ্যানেল থেকে পোস্ট করা এই ভিডিওটি ইতিমধ্যেই প্রায় লক্ষাধিক মানুষ দেখে নিয়েছেন।

ভিডিওটির লাইক সংখ্যা এবং শেয়ার সংখ্যাও অত্যধিক। চাইলে আপনিও রানু দিদির অসাধারণ এই ভিডিওটি দেখে আসতে পারেন। উল্লেখ্য বর্তমান যুগে সোশ্যাল মিডিয়া মানুষের জন্য একটি বড়সড় মাধ্যম হয়ে দাঁড়িয়েছে।রানু মন্ডল এর মত অনেক ব্যক্তিত্বরাই এই সোশ্যাল মিডিয়াকে হাতিয়ার করে নিজেদের প্রতিভার বিকাশ ঘটানোর চেষ্টা করছেন।অনেকে বলেন বর্তমানে গণমাধ্যমের থেকেও অত্যন্ত বেশি শক্তিশালী হয়ে উঠেছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম।

যদিও তার বিশেষ কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।কিন্তু দিন প্রতিদিন জনগণের মধ্যে সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার করার প্রবণতা যে বেড়েই চলেছে তা বেশ স্পষ্ট বিশেষজ্ঞদের কাছে। কিছু কুপ্রভাব থাকলেও লকডাউন এরপর থেকেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমকে মানুষ সময় কাটানোর জন্য প্রধান মাধ্যম হিসেবে বেছে নিয়েছেন।

Back to top button