নেই বিলাসবহুল গাড়ি-নিরাপত্তা, অগত্যা বাইকে চেপেই মানুষের দুয়ারে পৌঁছে যাচ্ছেন চন্দনা বাউরি

নিজস্ব প্রতিবেদন বিজেপির সবথেকে জনপ্রিয় বিধায়ক চন্দনা বাউরি নিজেই গরিব হওয়ার কারণে তিনি গরিবের কষ্ট বোঝেন। দারিদ্রতার সঙ্গে লড়াই করেই তিনি এতদিন জীবনযাপন করেছেন। তার স্বপ্ন ছিল বিধায়ক হয়ে এলাকার দরিদ্র মানুষের পাশে দাঁড়ানো। আর এবার সেই স্বপ্ন পূরণের খাতিরে রাস্তায় নেমেছেন চন্দনা। নেননি কেন্দ্রীয় সুরক্ষাও, নেই চারচাকা গাড়ি। বাইকের পিছনে বসেই তিনি বেরিয়ে পড়েছেন এলাকার গরিব মানুষদের সাহায্যার্থে।

বিজেপির এই বিধায়ক চন্দনা বাউরি বাঁকুড়ার শালতোড়া বিধানসভার অন্তর্গত বিশিণ্ডা গ্রামে এক অসহায় পরিবারের পাশে গিয়ে দাঁড়ান । সেখানে তাঁদের বাড়িতে গিয়ে তিনি পিতা-মাতা হারা ৪ অসহায় শিশুর পাশে দাঁড়ানোর আশ্বাস দেন। তাঁদের হাতে তিনি নিত্য প্রয়োজনীয় কিছু সামগ্রী, স্যানিটাইজার, জামা-কাপড়,মাস্ক তুলে দেন। বিপদে-আপদে তাঁদের পাশে থাকবেন বলেও জানান তিনি। চন্দনা বাউরি এলাকার মানুষদের করোনা সম্পর্কে সচেতন থাকা, অযথা আতঙ্কিত না হওয়া এবং তাঁদের মাস্ক স্যানিটাইজার বিলি করা কথাও বলেন । বিশেষ উল্লেখ্য, বিজেপির যেই ১৫ জন বিধায়ক কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা প্রত্যাহার করেছেন, তাঁদের মধ্যেই একজন হলেন চন্দনা বাউরি। বিজেপির বিধায়করা কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা প্রত্যাহার করার দুটি কারণ দেখিয়েছেন।

প্রথম কারণ, ভোট পরবর্তী হিংসায় রাজ্যের বহু বিজেপি কর্মী ঘরছাড়া। তাঁরা এখনও বাড়ি ফিরতে পারেন নি। অনেকেই শাসক দলের কর্মীদের হাতে মার খাচ্ছেন, আবার অনেকের ইতিমধ্যে প্রাণও গিয়েছে। তাই নিরাপত্তা প্রত্যাহার করা বিজেপির বিধায়করা জানিয়েছেন যে, কর্মীরা যেখানে সুরক্ষা পাচ্ছেন না, সেখানে আমারা নিরাপত্তা নিয়ে ঘোরাটা বিলাসিতা।

দ্বিতীয় কারণ, কেন্দ্রীয় নিরাপত্তায় চারজন রক্ষী ২৪ ঘণ্টাই বিজেপির বিধায়কদের পাশে থাকবেন। আর এই ২৪ ঘণ্টা তাঁদের খাওয়া-দাওয়া থেকে শুরু করে বিশ্রাম করা এবং থাকার জায়গা বিধায়কদেরই ঠিক করে দিতে হবে। যেটা করা সম্ভব হচ্ছে না তাঁদের পক্ষে। বিশেষ করে এই কোভিডের মধ্যে। তাই তাঁরা নিরাপত্তা প্রত্যাহার করেছে।

Back to top button