গেরুয়া শিবিরে বড়োসড়ো ভাঙ্গন, গেরুয়া শিবির ছেড়ে চলে গেলেন দাপুটে দুই নেতা

নিজস্ব প্রতিবেদন: এবার উঠে এলো বিজেপির সংখ্যালঘু নেতাকর্মীদের ক্ষোভ। ভাঙ্গন শুরু হলো বিজেপিতে। আজ বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের কাছে ইস্তফাপত্র জমা দিলেন বিজেপির সংখ্যালঘু মোর্চার সহ-সভাপতি কাসেম আলী। তিনি ছিলেন মুকুল রায়ের ঘনিষ্ঠ। শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে সঙ্গে তিনি বিজেপিতে যোগদান করেছিলেন। তৃণমূল সংখ্যালঘুদের প্রাক্তন সাধারণ সম্পাদক কবিরুল ইসলাম ও বিজেপির সদস্য পদ ছেড়ে যান। ইতিমধ্যে এই দুজন তৃণমূলের মুখপাত্র কুণাল ঘোষের দ্বারস্থ হন।

বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে ফিরতে চাওয়া নেতাদের প্রসঙ্গে কুনাল বলেন,‘‘ওঁরা দু’জন এসেছিলেন আমার কাছে। কিন্তু আমি তো কোনও কথা দিতে পারি না। আরও অনেকেই আসছেন। নানা ভাবে যোগাযোগ করছেন। কেউ কেউ ভুল হয়ে গেছে বলে কান্নাকাটিও করছেন। কিন্তু যাঁরা ভোটের আগে তৃণমূল কংগ্রেস ছেড়ে বিজেপি-তে যোগ দিয়েছেন তাঁদের নিয়ে দল এখনও কোনও সিদ্ধান্ত নেয়নি।’’

গেরুয়া শিবিরে যোগ দেওয়া কাশেম বলেন,‘‘বিজেপি-তে থেকে সংখ্যালঘুদের জন্য কাজ করা সম্ভব নয়। তাই আমি একা নই, মুসলিম সম্প্রদায়ের অনেকেই আমার সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন তৃণমূলে যোগ দেওয়ার জন্য। আশা করছি আমাদের ক্ষমা করে ফিরিয়ে নেওয়া হবে।’’ সাথে কবিরুল ইসলাম বলেছেন,”বিজেপি-তে যোগ দেওয়ার পরে আমাকে সে ভাবে কাজেই লাগানো হয়নি। আর সিবিআই দিয়ে বিজেপি যে ভাবে ফিরহাদ হাকিম, সুব্রত মুখোপাধ্যায়, মদন মিত্রদের গ্রেফতার করিয়েছে সেটা অন্যায়। অথচ বিজেপি-তে যোগ দেওয়া অনেকের সম্পর্কে একই অভিযোগ থাকা সত্বেও কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।’’

শুধু এই দুজনেই নন আরো অনেকেই বিজেপির ছাড়তে চান বলে জানা গিয়েছে। গেরুয়া শিবিরে বড়োসড়ো ভাঙ্গনের আশঙ্কা করা যাচ্ছে।

Back to top button