কলেজে পড়াকালীন স্কুলের শিক্ষকতা করতেন মমতা, বেতন কত ছিল নিজেই জানালেন মুখ্যমন্ত্রী

বংট্রেন্ডি অনলাইন ডেস্ক: বর্তমান পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী হলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ২০১১ সালে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে তৃণমূল কংগ্রেস জয়লাভ করে। ৩৪ বছরের সিপিআইএমের শাসনের অবসান ঘটে তৃণমূল কংগ্রেসের নতুন সরকার গঠিত হয়। পূর্ববর্তী সিপিআইএম নেতা বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের পরে নবনির্মিত সরকারে মুখ্যমন্ত্রীর পদে আসেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

পরবর্তীতে ২০১৬ সালে দ্বিতীয় বারের জন্য এবং ২০২১ সালে পুনরায় তৃতীয়বারের জন্য বাংলায় মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে ক্ষমতায় আসেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ভোটে জেতার আগে রাজনৈতিক জীবনের শুরুতে তিনি সিঙ্গুর এবং নন্দীগ্রামে কৃষকদের জমি ফেরত দেওয়ার জন্য দিনের পর দিন অনশনের, আন্দোলনের মাধ্যমে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মানুষের কাছে জনপ্রিয়তা পেয়েছিলেন। পরবর্তীতে তিনি মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন।

মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে মাঝে মাঝেই স্মৃতিচারণ করতে দেখা যায়। তিনি বিভিন্ন অনুষ্ঠানে গিয়ে তাঁর জীবনের নানান গল্প ভাগ করে নেন সাধারণ মানুষের সঙ্গে। সম্প্রতি ভবানীপুরের শীতলা মন্দিরে যোগ দিয়ে মুখ্যমন্ত্রী তাঁর কলেজ জীবনের স্মৃতিচারণ করেন। তিনি নিজে জানান যে, তিনি কলেজ জীবন থেকেই প্রায় বিনা অর্থে পাড়ার স্কুলের ছোট ছোট ছেলে মেয়েদের পড়াতেন।

একইসাথে তিনি বলেন “আমার কলেজ জীবনের কথা স্পষ্ট মনে আছে। সেই সময় আমি একপ্রকার বিনা পয়সাতেই ছোট ছেলেমেয়েদের শিক্ষাদান করতাম। আমার বাবা তখন মারা গিয়েছিল। তাই কলেজে পড়াশোনা করতে করতেই আমি ভবানীপুরের একটি স্কুলে পড়ানোর কাজ করতাম এবং সেখানে যে 60 টাকা মাইনে পেতাম, সেটা মায়ের হাতে তুলে দিতাম।”

এমনকি এইদিন তিনি ভবানীপুরে সম্প্রীতির প্রসঙ্গ উত্থাপন করেন। তিনি ব্যক্তিগতভাবে সকল প্রকার ধর্মীয় অনুষ্ঠানে যোগাদান করেন। তবে ছোটবেলার স্মৃতিচারণ করে সম্প্রতির প্রসঙ্গে বলেন, তাঁর ছেলেবেলাতে কলকাতায় এত বড় করে দুর্গাপুজো পালিত হত না। কেবলমাত্র ভবানীপুরেই দুর্গোৎসবে প্রচুর আয়োজন করা হতো। এমনকি সেই দুর্গোৎসবে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকলে যোগ দানও করতেন। এমনকি তিনি বলেন, ভবানীপুরে মন্দির, মসজিদ, গুরুদ্বার সবই রয়েছে। এইসব স্থানে বিভিন্ন ধর্মের মানুষ পুজো দেন, ধর্মীয় আচার পালন করেন। এইভাবেই তিনি ভবানীপুরের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির কথা, মিলনের কথা তুলে ধরেন।

Back to top button