মদনের ফুসফুস, শোভনের লিভার, সুব্রতর গলায় কষ্ট

নিজস্ব প্রতিবেদন: জেল থেকে বাড়ি ফিরে এলেন রাজ্যের হেভিওয়েট মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম। তবে অসুস্থতার কারণে এখনো হাসপাতালেই আছেন মন্ত্রী সুব্রত মুখোপাধ্যায়, বিধায়ক মদন মিত্র এবং কলকাতার প্রাক্তন মেয়র শোভন চট্টোপাধ্যায়কে। এসএসকেএমের মেডিক্যাল বোর্ডের তত্ত্বাবধানে তাঁদের এখনো চিকিৎসা চলছে।

গত ১৭ মে নারদ মামলায় গত সোমবার ৪ নেতা-মন্ত্রীকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে জেল হেফাজতে রাখেন সিবিআই। নিম্ন আদালতে প্রত্যেকে জামিন পেয়ে গেলেও, কলকাতা হাইকোর্টে তা স্থগিত করার নির্দেশ দেয়। যত দিন না পর্যন্ত কলকাতা হাইকোর্টের পাঁচ সদস্যের বৃহত্তর বেঞ্চ নির্দেশ দিচ্ছে, তত দিন ডিভিশন বেঞ্চের রায়ে তাঁদের গৃহবন্দি হয়ে থাকতে হবে। এদিন সন্ধ্যা ৬টা ৪০ মিনিট নাগাদ প্রেসিডেন্সি জেল থেকে পুলিশের গাড়ি করেই চেতলার বাড়ি ফেরেন ফিরহাদ হাকিম। কিন্তু বাকি তিন মন্ত্রী শারীরিক অসুস্থতার কারণে হাসপাতালেই ভর্তি আছেন।

তিন জনের মধ্যে মদন মিত্রের শারীরিক অবস্থা সব থেকে খারাপ বলে জানা যাচ্ছে। ভোটের সময় করোনা আক্রান্ত হয়েছিলেন মদন মিত্র। হাসপাতাল থেকে জানা যাচ্ছে যে, মদন মিত্রের ফুসফুসে সমস্যা ধরা পড়েছে। মেডিক্যাল বোর্ডের পরামর্শে তাঁকে আরও কিছু দিন হাসপাতালে থাকতে হতে পারে হাসপাতাল সূত্রে খবর। সিওপিডি-র রোগী মদনকে মাঝে মাঝে অক্সিজেন দিতে হচ্ছে।

সুব্রত মুখোপাধ্যায় এবং শোভন চট্টোপাধ্যায়ও এখনো শারীরিক জটিলতায় ভুগছেন। জেলে যাওয়ার পর, রাতেই শোভনকে হাসপাতালে আনা হয়।পরের দিনেই সকালে ভর্তি হন সুব্রত। পরীক্ষা করে শোভনের সিরোসিস অফ লিভার ধরা পড়েছে। বৃহস্পতিবারই তাঁর ইউএসজি করা হয়। চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন, রিপোর্ট খতিয়ে দেখার পর শোভনের প্রয়োজনীয় সব চিকিৎসা করা হয়েছে। ফলে তাঁকেও আরও কিছু দিন হাসপাতালে থাকতে হতে পারে।

এদিন কলকাতা হাইকোর্টের রায় দেয়ার পর সুব্রত মুখোপাধ্যায়ের ঘরে মদন এবং শোভন গিয়েছিলেন বলে সূত্রের খবর। তখন সেখানে ছিলেন শোভন এর বান্ধবী বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়। বেশ কিছুক্ষণ থাকার পর তাঁরা বেরিয়ে চলে আসেন। জেলে যাওয়ার পর ফিরহাদ হাকিমের জ্বর এসেছিল। তবে তিনি এখন সুস্থ আছেন।

Back to top button