“সেচ দফতরের দুর্নীতিতে শুভেন্দু-রাজীবকে জেল খাটাবো”, রাজ্যপালকেও তেড়ে কটাক্ষ কল্যাণের

নিজস্ব প্রতিবেদন: গত বুধবার ওড়িশা এবং বাংলার উপকূলে আছড়ে পরে ইয়াস। প্রচুর ক্ষতি হয়েছে দীঘা ,মন্দারমনি , সুন্দরবন ও অন্যান্য আরো জায়গায়। প্রায় ১৩৪ টির কাছাকাছি বাঁধ ভেঙে গিয়েছে। দীঘার তীরবর্তী নতুন তৈরি গার্ড‌ওয়াল এবং রাস্তা পুরোপুরি ভেঙে গিয়েছে। অনেক জায়গাতেই নদীর উপরে কংক্রিটের সেতুও ভেঙে গিয়েছে দেখা যাচ্ছে।

গতবছর রাজ্যে তান্ডব করেছিল আমফান। এতেও ভেঙেছিলো একাধিক নদী এবং সমুদ্রের বাঁধ। তারপরে সেগুলি আবার মেরামতের কাজ করা হয়। কিন্তু তারপরেই আবার একবছরে সেই বাঁধ গুলি ভেঙে পড়ায় যথেষ্ট ক্ষুব্ধ হন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এই বাঁধ ভাঙার জন্য প্রশ্ন উঠেছে রাজ্যের দুই প্রাক্তন সেচমন্ত্রীর ওপর।

প্রায় দশ বছরেরও বেশি সময় ধরে সেচ মন্ত্রীর দায়িত্ব সামলেছেন রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়। তারপরেই সেচ মন্ত্রকের দ্বায়িত্ব পান শুভেন্দু অধিকারী। হাজার হাজার টাকা বরাদ্দ করা হয়েছিল বাঁধ গুলির নির্মাণ এবং রক্ষণাবেক্ষণের জন্য।বাঁধ গুলি এভাবে ভেঙে পড়ায় এবার বর্তমান দুই সেচমন্ত্রী রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায় এবং শুভেন্দু অধিকারীর ভূমিকা ঘিরে বিস্তর প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

তৃণমূল সাংসদ তথা আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় একহাত নিয়েছেন রাজ্যপাল এবং শুভেন্দু অধিকারী সহ রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়কেও। তিনি বলেছেন যে, “সুপ্রিম কোর্ট বার বার বলেছে রাজ্যপাল কখনো কেন্দ্রীয় সরকারের এজেন্ট হতে পারে না। রাজ্যপালকে এভাবে পরপর টুইট করার কে অধিকার দিয়েছে? গণতন্ত্রের হত্যাকারী হলেন এই রাজ্যপাল। বিরৌধী দলনেতাকে আগে জেলে ঢুকতে হবে।

উনি আর রাজীব বাবু যখন সেচমন্ত্রী ছিলেন, “তখন যে সমস্ত কন্ট্রাক্টরদের দিয়ে বাঁধ নির্মাণ করিয়েছিলেন তারা সব ওদের‌ই লোক। সুন্দরবন এলাকাতে নিজেদের কন্ট্রাক্টারদের দিয়ে বাঁধ নির্মাণ করিয়েছেন। সেই বাঁধ প্রকল্পে বহু দূর্নীতি রয়েছে। ওই দুটো লোককে জেলে ঢোকানো হবে। শুভেন্দু অধিকারী এবং রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায় শুধুমাত্র মাল কামিয়ে গিয়েছেন আর কিছুই করেননি।”

Back to top button