“আমি জানতাম না উনি আসছেন” প্রধানমন্ত্রীকে আধ ঘণ্টা বসিয়ে রাখার অভিযোগ মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে

নিজস্ব প্রতিবেদন: কলাইকুণ্ডা বিমানবন্দরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর হেলিকপ্টার ল্যান্ড করার পর ওনাকে স্বাগত জানানোর জন্য রাজ্যের কোনও প্রতিনিধি ছিলেন না। কিন্তু বিমানবন্দরেই উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং সাথে ছিলেন মুখ্যসচিব আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়। এমনটাই অভিযোগ করেন বিজেপির আইটি সেলের প্রধান অমিত মালব্য। তিনি বলেন যে, রাজ্যের প্রতিনিধিদের জন্য অপেক্ষা করে কমপক্ষে ৩০ মিনিট দাঁড়িয়ে ছিলেন প্রধানমন্ত্রী, রাজ্যপাল এবং কেন্দ্রীয় মন্ত্রীরা।

আজ যশ বিপর্যয় পর্যবেক্ষণ করার জন্য রাজ্যে এসেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। বাংলায় এসে তিনি বৈঠক করেন। কিন্তু সেই বৈঠকে আজ উপস্থিত ছিলেন না মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি মাত্র পাঁচ মিনিটের জন্য আসেন ক্ষয়ক্ষতি নিয়ে রিপোর্ট জমা দিয়ে দিঘার প্রশাসনিক বৈঠকে চলে যান তিনি। তিনি দিঘার প্রশাসনিক বৈঠকে গিয়ে বলেন যে, প্রধানমন্ত্রী আজ আসবেন আমি তা জানতাম না। দিঘায় অনুষ্ঠান ছিল আমাদের, আমি প্রধানমন্ত্রীর হাতে কলাইকুণ্ডায় ক্ষয়ক্ষতির রিপোর্ট তুলে দিয়েছে। ওনাকে বলেছি, আপনি যা ভালো বুঝবেন করবেন।

বিজেপি নেতা অমিত মালব্য বলেন যে, “কলাইকুণ্ডায় রাজ্যের প্রতিনিধিদের জন্য আধ ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হয়েছে প্রধানমন্ত্রীকে। এরপর মুখ্যমন্ত্রী আচমকা ঔদ্ধত্যপূর্ণভাবে ঢোকেন আর ইয়াস বিপর্যয়ের ক্ষয়ক্ষতি নিয়ে রিপোর্ট ধরিয়ে দেন। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, আমার অন্য কাজ আছে।” অমিত মালব্য অভিযোগ করে জানান যে, শুধু নিজে অনুপস্থিত ছিলেন তা না, মুখ্যমন্ত্রী রাজ্যের স্বরাষ্ট্রসচিব এবং মুখ্যসচিবকে থাকার কোনো অনুমতি পর্যন্ত দেননি তিনি।

অমিত মালব্য অভিযোগ করেন যে, প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের সময়েও মানুষকে বঞ্চিত করার রাজনীতি করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, রাজ্যের ক্ষয়ক্ষতি নিয়ে বৈঠক করার জন্য সময় বের করেছেন প্রধানমন্ত্রী। কিন্তু রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর হীনম্যনতার পরিচয় দিয়ে সেই বৈঠকে অনুপস্থিত ছিলেন। ওনার এই রাজনৈতিক স্বার্থের কারণে বঞ্চিত হচ্ছেন পশ্চিমবঙ্গের সাধারণ মানুষ। স্বাধীন ভারতের ইতিহাসে এখনো কোনও প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে এমন আচরণ এর আগে কোনও মুখ্যমন্ত্রীই করেননি।।

Back to top button