“নন্দীগ্রামে আমার কাছে হেরেছেন বলে বিরোধী দলনেতাকে মর্যাদা দিতে পারছেন না”- বললেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী

নিজস্ব প্রতিবেদন: মুখ্যমন্ত্রীকে অসভ্য বলে দাবি করে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী জানান,“প্রধানমন্ত্রী ও ভারত সরকারকে অপমান করেছেন। নিন্দার কোনও ভাষা নেই।” প্রধানমন্ত্রীর ডাকা ইয়াস পর্যালোচনা বৈঠকে শুভেন্দু অধিকারীর উপস্থিতি নিয়ে আপত্তি তোলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

শুভেন্দু অধিকারী ভার্চুয়াল বৈঠকের মাধ্যমে জানান,” অনুরোধ করেছিলাম পর্যালোচনা বৈঠকে থাকার জন্য। প্রধানমন্ত্রীর দফতর (PMO) থেকে আমাকে ফোন করে থাকতে বলা হয়েছিল বিরোধী দলনেতা হিসেবে। ওড়িশায় বিরোধী দলনেতা বিজেপির প্রদীপ নায়েককে ঢাকা হলেও তিনি কোভিড পজিটিভ হওয়ায় উপস্থিত হতে পারেননি। কংগ্রেসের সংসদীয় নেতা অধীর চৌধুরীকে বৈঠকে ডাকা হলেও দিল্লিতে থাকার কারণে তিনি উপস্থিত হতে পারেননি। মুখ্যমন্ত্রী নিম্নমানের রাজনীতি করছেন।”

মুখ্যমন্ত্রী অভিযোগ করেছেন তাঁকে কলাইকুণ্ডায় অপেক্ষা করিয়ে রাখার। সেই অভিযোগে জল ঢেলে শুভেন্দু অধিকারীর বক্তব্য,” দুপুর ১টা ৫৫ মিনিটে প্রধানমন্ত্রীর ও ২টো ৫ মিনিটে মুখ্যমন্ত্রীর হেলিকপ্টার অবতরণ করবে এমনটাই সময়সীমা ছিল। তারপর মুখ্যমন্ত্রী আসবেন কিনা জিজ্ঞাসা করা হয়। মুখ্যমন্ত্রী আসলে উঠে দাঁড়িয়ে সম্মান জানালাম প্রধানমন্ত্রী, কেন্দ্রীয়মন্ত্রী-সহ আমিও। এক থেকে দেড় মিনিট দাঁড়িয়ে লিখিত একটি আবেদন দিয়ে সঙ্গে সঙ্গে চলে গেলেন। তিনি অপমান করেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে।

বাংলার মানুষের জন্য প্রধানমন্ত্রীর পা ধরতেও রাজি আছেন বলে জানান মুখ্যমন্ত্রী। সে কথার পরিপেক্ষিতে শুভেন্দু বলেন,” সংবিধান মেনে চললেই হবে, প্রধাণমন্ত্রীর পা ধরার কোন দরকার নেই।” আমরা আপনাকে মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে সম্মান দিবো এবং আপনিও মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে সম্মান করবেন।

শুভেন্দু যোগ করেন,” নন্দীগ্রামে আপনি আমার কাছে হেরেছেন। আপনার দুঃখ, যন্ত্রণা আছে। আপনি মুখ্যমন্ত্রী একজন বিধায়ক না হয়েও। আপনি বিরোধী দলনেতাকে মর্যাদা না দিতে পারেন। বাংলার ঐতিহ্য এবং মর্যাদা খুইয়েছেন, দেশজুড়ে নিন্দার ঝড় উঠেছে। আমাদের ম্যানেজ করা যাবে না ফিসফ্রাই খাইয়ে। পাশে থেকে সহযোগিতা করবো ভালো কাজ করলে।”

Back to top button