বাজ পড়লে কিভাবে নিজেকে সুরক্ষিত রাখবেন?

নিজস্ব প্রতিবেদনআবহাওয়া দপ্তরের তরফ থেকে জানানো হয়েছে যে, উত্তর বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপ ঘনীভূত হচ্ছে যার ফলে প্রচুর পরিমাণে মৌসুমী বায়ু এবং জলীয় বাষ্প রাজ্যে প্রবেশ করতে চলেছে। আগামী ১০ ই জুন রাত থেকেই গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গে বর্ষা প্রবেশ করবে। আগামী ১১ ই জুন থেকে পশ্চিমবঙ্গে একটানা ৪৮ ঘন্টা জুড়ে বৃষ্টি হওয়ার পরেই নিম্নচাপটি ধাবিত হবে উত্তরবঙ্গের উদ্দেশ্যে। রাজ্যে একদিনে বজ্রাঘাতে মৃত্যু হয়েছে 27 জনের। যার মধ্যে রয়েছেন হুগলির 11 জন, দুই মেদিনীপুরে 4 জন, বাঁকুড়ায় 3 জন এবং মুর্শিদাবাদে মারা গিয়েছেন 9 জন।

রাজ্যে বজ্রপাতে একদিনে এত মৃত্যুর ঘটনায় আতঙ্কে রয়েছে রাজ্যবাসী। আমরা জানি কিউমুলোনিম্বাস মেঘে সাধারণত বাজ বেশী পড়ে থাকে। যে সমস্ত বাজগুলি সরাসরি মাটিতে পড়ে তার আঘতেই মানুষ এবং অন্যান্য প্রাণীরা প্রাণ যায়।সাধারণত উঁচু গাছ অথবা পোলে বাজ পড়েতে দেখা যায়। বেশিরভাগ সময় দেখা যায়, বাজ পড়লে কি করবে আর কি করবে না এই নিয়ে মানুষের মনে চিন্তার সৃষ্টি হয়। এইসময় বেশ কিছু সতর্কতা অবলম্বন করলে বাজ পড়ার হাত থেকে রক্ষা পাওয়া যায়।

বাজ পড়ার সময় অবশ্যই খোলা মাঠে থাকা উচিৎ নয়। কিন্তু যদি কেউ খোলা মাঠে থেকে যায় আর সেইসময় বজ্রগর্ভ মেঘ থেকে বাজ পড়তে শুরু করে তাহলে তখন ওই ব্যক্তির উচিৎ কুঁজো হয়ে সরাসরি মাটিতে বসে পড়া, যার ফলে বাজের অভিঘাত থেকে রক্ষা পাওয়া সম্ভব। এছাড়াও সব থেকে নিরাপদ আশ্রয় হলো বাড়ির ছাদযুক্ত ঘর। ঘরে থাকলে বাজের হাত থেকে রক্ষা পাওয়া যায়। বাজ পড়ার সময় যেকোনো ধাতব বস্তুর কাছ থেকে দূরে থাকা উচিৎ। কোনো বড়ো গাছ, অথবা পোলের তলায় কখনোই আশ্রয় নেবেন না এছাড়া পুকুরে অথবা নদীর জলে নামা উচিত নয়। যখন বাজ পড়বে তখন নিরাপদ আশ্রয়ে যাওয়ার চেষ্টা করা উচিত।

Back to top button