ফের তৃণমূলের শক্তিবৃদ্ধি, গঙ্গাজল ছিটিয়ে ৩০০ বিজেপি কর্মীকে ঘরে ফেরাল ঘাসফুল শিবির

নিজস্ব প্রতিবেদন: তৃণমূলে যোগ দিতে অনশন, গঙ্গাজল ছিটিয়ে ‘শুদ্ধ’ করে সাঁইথিয়ার বিজেপি কর্মীদের ঘরে তুলল তৃণমূল, বলে তারা লজ্জিত কারণ বিজেপিতে থেকেও এলাকার উন্নয়ন করতে পারেননি। এমনই দাবি করে বসলেন বীরভূমের প্রায় ৩০০ জন বিজেপি কর্মী।

এখানেই শেষ নয়, এই জন্য তৃণমূলে যোগদানের আবেদনে শুক্রবার সকাল থেকেই তারা অনশনে বসেছিলেন। অবশেষে তৃণমূল তাঁদেরকে নিজেদের দলে টেনে নিল। যদিও শিবির বদল করা সকল কর্মীকেই রীতিমতো গঙ্গাজল দিয়ে ‘শুদ্ধিকরণ’- করার পর দলে নিয়েছেন জোড়াফুল শিবিরের নেতারা।

শুক্রবার জেলার সাঁইথিয়া বিধানসভার অন্তর্গত বনগ্রাম অঞ্চলের তৃণমূল কার্যালয়ের সামনে সকাল ৮টা থেকে অনশনে বসেন বিজেপি কর্মীরা। অনশনকারী অশোক মণ্ডল (বিজেপি কর্মী) জানান, “আমরা এত দিন বিজেপি করলেও বনগ্রাম অঞ্চলের কোনও উন্নয়ন করতে পারিনি। উল্টে বিভিন্ন বিক্ষোভের জেরে আমাদের জন্যই এলাকার উন্নয়নে বাধা পেয়েছে। সে কারণে আমরা দুঃখিত এবং লজ্জিত। তাই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উন্নয়ন যজ্ঞে শামিল হওয়ার জন্য আমরা অনশন কর্মসূচি পালন করছি। যতক্ষণ না আমাদের তৃণমূলে যোগদান করানো হবে, ততক্ষণ অনশন চালিয়ে যাব। বনগ্রামের প্রধানের কাছে চিঠি দিয়ে স্বেচ্ছায় তৃণমূলে যোগ দিতে চাই।”

শুক্রবার অনশনের প্রায় ৪ ঘণ্টা পর অর্থাৎ দুপুর ১২টা নাগাদ তৃণমূল নেতারা দলীয় কার্যালয়ে আসেন এবং অনশনকারী বিজেপি কর্মীদের গায়ে গঙ্গাজল ছিটিয়ে তাঁদের ‘শুদ্ধিকরণ’ করেন তাঁরা।এরপর, বিজেপি কর্মীদের হাতে তৃণমূলের পতাকা তুলে দিয়ে তাঁদের দলে টেনে নেওয়া হয়। বীরভূম জেলার তৃণমূলের সহ-সভাপতি অভিজিৎ সিংহ জানিয়েছেন, জেলার বিজেপি কর্মীদের দলে নিলেও তাঁদের রীতিমতো বাছবিচার করেই নেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, “বিজেপি কর্মীদের দেখেশুনে দলে যোগদান করানো হয়েছে।”

Back to top button