রাজনীতি ভুলে দুঃসময়ে পুরনো ‘বন্ধু’ পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের বাড়িতে শোভন-বৈশাখী

নিজস্ব প্রতিবেদন: আবারও মানবিকতার পরিচয় দিলেন শোভন চট্টোপাধ্যায় ও তার বান্ধবী বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়। তৃণমূলে যুক্ত না থাকলেও পুরনো বন্ধুর দুঃসময়ে তাঁর পাশে দাঁড়ালেন তারা। সোমবার দিন সন্ধ্যায় শোভন-বৈশাখী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের বাড়িতে গেলেন। সেখানে বেশ কিছুক্ষণ সময়ও কাটালেন তারা।

একটা সময় ছিল যখন পার্থ চট্টোপাধ্যায় ও শোভন চট্টোপাধ্যায় দুজনে একসঙ্গে লড়াই করেছেন, কিন্তু বর্তমানে তাঁদের পথ আলাদা। তবে এই প্রাক্তন মেয়র পুরনো বন্ধুর দুঃসময়ে পাশে দাড়াতে নিজেকে বঞ্চিত করে রাখেননি। সোমবার দিন সন্ধ্যায় শোভন চট্টোপাধ্যায় ও তার বান্ধবী বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায় রাজ্যের মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের নাকতলার বাড়িতে যান। বেশ কিছুক্ষণ সময়ও কাটান তাঁরা।

বেরিয়ে  শোভন চট্টোপাধ্যায় জানান, এটা সম্পূর্ণ সৌজন্য সাক্ষাত। শোভনবাবুর বলেন, “গতকাল যাঁর মা প্রয়াত হয়েছেন তাঁর সঙ্গে এই মুহূর্তে রাজনৈতিক আলোচনার মতো মানসিকতা আমার নেই। একেবারেই নিজেদের নিয়ে কথা হয়েছে।” এদিন তাকে রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি জবাবে বলেন, এই পরিস্থিতিতে রাজনীতি নিয়ে কোনও আলোচনা করতে তিনি রাজি নন। এদিন বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়েও জানান, এটা রাজনীতি নিয়ে আলোচনা করার সময় নয়। তবে মুখ্যমন্ত্রীর ভূয়সী প্রশংসা করে তিনি বলেন, “নারদ কাণ্ডে টানাপোড়েন চলাকালীন বাকি তিন নেতার মতো করেই শোভনের পাশেও দাঁড়িয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। আমরা তাঁর কাছে কৃতজ্ঞ। ওঁর রাজ্যবাসীকে অনেক কিছু দেওয়ার রয়েছে।” বিজেপির সঙ্গে সম্পর্কে যে ভাঙ্গন ধরেছে, এদিন অত্যন্ত বদ্ধিমত্তার সাথে তা-ও বুঝিয়ে দিয়েছেন বৈশাখী।

এর আগেও বিজেপির একাধিক নেতা পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের বাড়িতে গিয়েছেন। সোমবারই বিজেপির প্রাক্তন পরিষদীয় দলনেতা মনোজ টিগ্গা পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের বাড়িতে গিয়েছিলেন। দু’জনের মধ্যে বেশকিছুক্ষণ কথাবার্তা হয়েছিল বলেও জানা যাচ্ছে। এদিন দুুপুরে পার্থবাবুর বাড়িতে যান রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়ও।

Back to top button