বিয়ে না করে সিঁদুর লাগিয়ে হিন্দুদের বোকা বানিয়ে ভোট নিলেন, বিস্ফোরক দাবি দিলীপের

নিজস্ব প্রতিবেদন: নিখিল-নুসরতের বিবাদ এবার চলে এলো রাজনীতির ময়দানে।বসিরহাটের এক সাংগঠনিক বৈঠকে দিলীপ ঘোষ বলেন যে,সিঁদুর পরে মানুষকে টুপি পরিয়ে ভোট আদায় করেছেন বসিরহাটের সাংসদ।এটা ভারী লজ্জার বিষয়।গোটা ঘটনার থেকে দূরেই আছে দল।কুনাল ঘোষ টুইট করে বলেন যে, এর সাথে দলের কোনোরকম সম্পর্ক নেই।

বৃহস্পতিবার বসিরহাটের এক সাংবাদ মাধ্যমকে দিলীপ ঘোষ বলেন যে,”বসিরহাটের লোকেরা তাঁকে সাংসদ করেছেন। আপনারাই ঠিক করুন, উনি বিয়ে করেছেন কিনা কাকে করেছেন, কবে করেছেন! ছেলের মা হতে যাচ্ছেন সেনিয়েও প্রশ্ন আছে। ভেবে দেখুন যাঁকে আড়াই লাখের ভোটে জিতিয়েছেন, তিনি কে বা তাঁর কী পরিচয়? বিয়ে না করে সিঁদুর লাগিয়ে হিন্দুদের বোকা বানিয়ে ভোট নিলেন। খুবই লজ্জার বিষয়। আমার মনে হয় নির্বাচনের জন্য বিয়ে করেছিলেন। নির্বাচন হয়ে গিয়েছে সত্য কথা বেরিয়ে এসেছে।”

তৃণমূল সাংসদ নুসরাতের লোকসভা সাংসদ হিসেবে শপথগ্রহণের ভিডিয়োর একটা অংশ উল্লেখ করে অমিত মালব্য টুইট করেন যে, ”সাংসদ বিবাহিত না অবিবাহিত, এটা একান্তই তাঁর ব্যক্তিগত বিষয়। তা নিয়ে কারও মাথাব্যথা হওয়া উচিত নয়। কিন্তু তিনি নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি। সংসদে অন-রেকর্ড বলেছেন, নিখিল জৈনের সঙ্গে তাঁর বিয়ে হয়েছে। তাহলে কি তিনি মিথ্যা কথা বলেছেন?”

অমিতের এই টুইটে কুণাল ঘোষের পাল্টা জবাব,”প্রসঙ্গ নুসরত জাহান: বিষয়টি ব্যক্তিগত। এর সঙ্গে রাজনীতি বা দলের কোনও সম্পর্ক নেই। বিজেপির মালব্যর এসব নিয়ে টুইট না করাই ভালো। তর্ক শুরু হলে বিজেপির পক্ষে ভালো হবে না। তৃণমূল মানুষের কাজ নিয়ে ব্যস্ত।”

বুধবার বসিরহাটের তৃণমূল সাংসদ নুসরত বলেন যে, নিখিলের সঙ্গে তিনি বিবাহ করেননি।কিন্তু তারা সহবাস করেছে।যার ফলে কোনো বিবাহ বিচ্ছেদের প্রশ্নই ওঠে না। এবার নিখিল পাল্টা জবাবে বলেন,”২০১৯-র জুন মাসে তুরস্কের বোদরুমে আমাদের বিয়ে হয়েছিল। কলকাতায় রিসেপশন। আমি আর নুসরত স্বামী-স্ত্রীর মতোই ছিলাম।”

Back to top button