মহানগর ‘আমফান থেকে শিক্ষা নিয়ে ভাল কাজ করেছে রাজ্য’, মমতা সরকারের ‘প্রশংসা’য় দিলীপ ঘোষ

নিজস্ব প্রতিবেদনবরাবরই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরোধিতা করেছেন। যে কোন বিষয় নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীকে আক্রমণ করার একটি সুযোগও ছাড়েননি যে দিলীপ ঘোষ । আজ তাঁর গলাতেই অন্য সুর। ঘূর্ণিঝড় ইয়াস মোকাবিলায় রাজ্য সরকারের তরফ থেকে যেই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে, তাতে খুশি হলেন ও রাজ্য সরকারকে প্রশংসা করলেন। বঙ্গ বিজেপির সভাপতি দিলীপ ঘোষ

প্রবল বৃষ্টিতে ভিজেছে কলকাতা-সহ রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত। বুধবার ভোর থেকে দিঘার পরিস্থিতি ক্রমশই ভয়াল রূপ ধারণ করছে। ক্রমশই বাড়ছে হাওয়ার বেগ। প্রায় ৩০ ফুট জলোচ্ছ্বাস হয়েছে। নারকেল গাছের উপর দিয়ে সমুদ্রের ঢেউ গিয়েছে বলেও দাবি অনেকের। সমুদ্র তীরবর্তী এলাকার প্রত্যেকটি হোটেল জলমগ্ন। এমনকী হোটেলের সামনে থাকা গাড়িও ভেসে গিয়েছে জলের তোড়ে। দিঘা, শংকরপুরের বিস্তীর্ণ রাস্তা হয়ে গিয়েছে জলমগ্ন। নবান্ন থেকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়  নিজে গোটা পরিস্থিতির দিকে নজর রেখেছেন। আগেভাগেই উপকূলের প্রায় ১১ লক্ষ মানুষকে সরানো হয়েছে ত্রাণ শিবিরে। জনজীবন যাতে বিপর্যস্ত না হয় তার জন্য একাধিক পদক্ষেপ করা হয়েছে। ‘যশ’ মোকাবিলায় রাজ্যের ভূমিকার প্রশংসা করেছেন রাজ্য বিজেপির সভাপতি দিলীপ ঘোষ।

বিজেপির এক শীর্ষ নেতা জানান, “সবকিছুতেই যদি বিরোধিতা করি, তাহলে মানুষের কাছে বিরোধী দলের সম্মান কমে যাবে। ঝড়ের পর সরকারের পদক্ষেপে কোনও গলদ পাওয়া গেলে সেটা নিয়ে সরব হওয়া যাবে, তাঁর আগে এখন উচিৎ সবাইকে একসঙ্গে কাজ করার।”

আজকের দিনে দিলীপ ঘোষ বলেন, “আমফানের অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে এবার রাজ্য সরকার যথেষ্ট তৎপরতার সঙ্গে ভাল কাজ করেছে। ঝড় নিয়ে উপকূলের মানুষকে সতর্ক করেছে। তবে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে তবেই বোঝা যাবে ক্ষয়ক্ষতি। তবে আপাতদৃষ্টিতে সব কিছু ঠিক হচ্ছে বলেই মনে হচ্ছে।”আরো বলেন,”আমরাও প্রস্তুত, আমাদের কর্মীরা তৈরি আছে। উপকূলবর্তী এলাকার মানুষকে নিরাপদে অন্যত সরিয়ে নিয়ে যাওয়া আমাদের কাজ। ঝড় চলে গেলে দায়িত্ব আরও বাড়বে।”

Back to top button