রাজ্য সভাপতির পদ থেকে সরতে হচ্ছে দিলীপ ঘোষকে

নিজস্ব প্রতিবেদননির্বাচনে ২০০ টি আসন নিয়ে জেতার স্বপ্ন দেখে বিজেপি যখন মাত্র ৭৭ আসনে আটকে যায়, তখন বিজেপি কর্মীরা রাজ্যের সভাপতি দিলীপ ঘোষের উপর রাগে,ক্ষোভে ফেটে পড়েন। তারা দাবি করেন তিনি শুধু ঠান্ডা ঘরে বসে উসকানি দিতে পারেন, তিনি কোনো কাজের কাজ করতে পারেন না।

তারা দাবী করেন দল আগে ভালোই ছিলো কিন্তু তৃনমূল প্রার্থী এসে তাদের দলে যোগ দেওয়ায় তাদের দলটা নষ্ট হয়ে যায়। এই দলবদলের ব্যাপারটা সাধারণ মানুষেরা ভালো ভাবে না নেওয়ায় তাদের ঝুলিতে ভোট অনেকটা কম আসে এবং তাদের হার অনিবার্য হয়ে পড়ে। তারা সবাই বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষের উপর দোষ চাপাতে থাকে।

বিজেপির একাংশের দাবি, মুকুল রায়ের দলত্যাগের পিছনে দিলীপ ঘোষের হাত আছে, মুকুল আর দিলীপের মধ্যে কলহ চলাকালীন তাকে বঞ্চিত করে রাখার পিছনেও দিলীপ ঘোষ কলকাঠি নাড়ছে বলে জানালেন। তার জন্যে তারা চাইছেন দিলীপ ঘোষের যেনো অপসারণ ঘটে। এছাড়া শুক্রবার বিজেপির নেতা অনুপম হাজরা তাদের উপর ওঠা লবির অভিযোগের উপর তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন।

আগামী কয়েক মাসের মধ্যে বিজেপিতে নতুন সভাপতি নির্বাচিত হবে তার কারণ বিজেপি পার্টির সংবিধান অনুযায়ী, একজন ব্যক্তি দু’বারের বেশী একই পদে থাকতে পারবেন না। তাই তিনি চাইলেও আর না চাইলেও তাকে পদ ছাড়তেই হবে।

তবে মোদী সরকার দিলীপ ঘোষকে দীর্ঘদিন ধরে দলের সদস্য এবং আরএসএস ঘনিষ্ঠ হওয়ার কারণেই তাকে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী করে পুরস্কৃত করতে চলেছে। তার সাথে রাজ্যের একাধিক সাংসদকে তিনি ক্যাবিনেটে জায়গা করে দিতে পারেন।

Back to top button