বিধায়ক হিসেবে প্রাপ্য বেতনের অঙ্ক শুনে চক্ষু চড়ক গাছ চন্দনা বাউড়ির, ভেবেই পাচ্ছেন না কি কি করবেন ওই টাকায়

নিজস্ব প্রতিবেদন: একুশের নির্বাচনে বিজেপির দিক থেকে ভোটে দাঁড়িয়েছিল বাঁকুড়ার শালতোড়ার চন্দনা বাউড়ি,তিনি বিপুল ভোটে জয়যুক্ত হন। নির্বাচনে জয়লাভ করে বিধায়কের পদ পাওয়ার পর প্রথম বার বিধানসভায় যান শপথ নেওয়ার জন্য। কিন্তু তারপর করোনা আবহের কারণে আর যাওয়া হয়নি তার। ফলে একজন বিধায়ক হিসেবে তিনি কত মাইনে পাবেন তা তার জানা হয়নি।

সম্প্রতি এক সংবাদ মাধ্যমের সঙ্গে কথোপকথনে বিধায়ক চন্দনা বাউড়ি জানান যে, বিধায়ক হিসেবে মাসে তিনি কত টাকা মাইনে পাবেন তা তিনি এখন তিনি জানেন না। সাংবাদিকের কাছে তিনি ঘুরিয়েই তিনি প্রশ্ন করে বলেন যে, ‘কত টাকা মাইনে পাব?’ এক সাংবাদিক বলেন যে- মাসে প্রায় ৮২ হাজার টাকার কাছাকাছি পান একজন বিধায়ক। তাহলে হিসাব মতো ১লক্ষের বেশি টাকা পাবে চন্দনা।আর তা ভেবেই তিনি আকাশ থেকে পড়লেন।

কিন্তু এত টাকা মাইনে পাওয়ার কথা জানার পরও মানুষের কথাই চিন্তা করলেন চন্দনা বাউড়ি। নিজের একটা গাড়ি কেনারও কোন ইচ্ছা প্রকাশ করেননি তিনি। তাঁর কথা অনুযায়ী, ‘কি করব তা এখন ভাবতে পারছি না। তবে মানুষের যাতে ভালো হয়, এমন কিছু করব। অত টাকা তো আর আমাদের লাগবে না, তাই মানুষের কাজে লাগাব। আমার গাড়ির দরকার নেই। অনেক দাম। স্বামীর মোটর সাইকেল আছে তো, ওতেই হয়ে যাবে’।

বিজেপির প্রার্থী তালিকা ঘোষণার পর থেকে বহুবার তার নাম উঠে এসেছে সংবাদের শিরোনামে।প্রথম থেকেই তিনি যেভাবে প্রচারে চালিয়ে গেছেন, তা চোখে পরার মত ছিল। অবশেষে, যে মেয়েটি নুন পান্তা খেয়ে দিন-রাত এক করে পাড়ায় প্রচার চালিয়েছিলেন, এবং তাকেই পছন্দ করেছেন শালতোড়ার মানুষজন।

এমনকি হতদারিদ্রতার জন্য বাড়িতে টিভি না থাকার কারণে নিজের প্রার্থী হওয়ার খবরটা পাশের বাড়ির থেকে পেয়েছিল।তবে এখন মাইনের কথা শোনার পরও তিনি টিভি কেনার কথা ভাবেননি। তাঁর কথা অনুযায়ী, ‘ভোটের আগেই একটা মোবাইল কিনেছি। আর ওটাতেই ভালো টিভি দেখা যায়’।।

Back to top button