শালতোড়া কেন্দ্রের মানসিক বিকারগ্রস্ত প্রাক্তন প্রার্থীর বাড়িতে হাজির চন্দনা, পা ছুঁয়ে করে এলেন প্রণাম

নিজস্ব প্রতিবেদন: একুশের বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির সহায়তায় বাঁকুড়ার শালতোড়া কেন্দ্র থেকে প্রার্থী হয়েছিলেন চন্দনা বাউরি। তারপর থেকেই চন্দনা সোশ্যাল মিডিয়ায় তুমুল হারে জনপ্রিয় হয়ে ওঠেন। নির্বাচনের আগেই জনপ্রিয়তার ঊর্ধ্বে পৌঁছে যান চন্দনা। তিনি কেন্দ্রের তৃণমূলের হেভিওয়েট প্রার্থী তথা দুবারের বিধায়ককে হারিয়ে জয়লাভ করেন তিনি।

চন্দনা বলেন, “আমার মতো একটা গরিব মানুষকে এভাবে সুযোগ দেওয়ার জন্য আমি বিজেপিকে ধন্যবাদ জানাই। নির্বাচনের আগে আমার লক্ষ্য ছিল এলাকার মানুষের কাছে প্রকৃত উন্নয়ন পৌঁছে দেওয়া। রাস্তাঘাট গড়ে দেওয়া এবং গরিব শিশুদের কাছে শিক্ষার আলো পৌঁছে দেওয়া। আমি ভোটে জিতে সেই কাজই করব। দলমত নির্বিশেষে আমি সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়াব।”

শপথ গ্রহণের পর চন্দনা বলেছিলেন, “দরকারে আমি আমার বিধায়ক ভাতার টাকাও মানুষের মধ্যে বিলিয়ে দেব। আমি আমার এলাকার মানুষকে ভালো দেখতে চাই শুধু। ওটাই হবে আমার পারিশ্রমিক”। তার কথা মতো তিনি কাজ করেছেন। তিনি ভোটে জিতে মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন, কখনও পায়ে হেঁটে জনতার দুয়ারে দুয়ারে, আবার কখনও কখনও বাইকে করে মানুষের কাছে পৌঁছে গিয়ে সাহায্য করেছেন।

বিধানসভা কেন্দ্রের প্রাক্তন এক প্রার্থীর বাড়িতে যান চন্দনা। তাঁর পায়ে হাত দিয়ে নমস্কারও করেন শালতোড়ার এই বিধায়ক। চন্দনা টুইটারে একটি টুইট করেন যেটা খুবই ভাইরাল হয়ে যায় এবং সবাই তার কাজে উৎসাহ দিতে থাকে। তিনি লিখেছেন, “1991সালে MLA দাড়িয়েছিলেন কর্ণ বাউরী। গ্রামের নাম বিশিণ্ডা, অঞ্চল বনআশুড়িয়া,থানা গঙ্গাজল ঘাটী, শালতোড়া বিধানসভা উনি এক জন রাজমিস্ত্রিছিলেন 1991 সালে উনি লড়ায় করেছিলেন কিন্তু উনি হেরেগিয়েছিলেন। আজ উনি মানসিক ভারসাম‍্যহিন! আজ আমি উনাকে সম্মান জানিয়ে প্রণাম করে আসি।”

Back to top button