শুভেন্দুকে মুখ করেই নতুন লড়াইয়ে ঝাঁপাতে চলেছে বিজেপি, একুশেই শুরু ২৬-এর প্রস্তুতি

নিজস্ব প্রতিবেদন: এই বছরের নির্বাচনে বাংলায় বিজেপি মাত্র ৭৭ টি আসন পেয়েছেন। কিন্তু তৃনমূল সেখানে ২০০ টিরও বেশি আসন পেয়ে জিতেছেন। বিজেপির খাতা থেকে আরও তিনটি আসন কমে যায় কোচবিহারের সাংসদ নিশীথ প্রামাণিক, রানাঘাটের সাংসদ জগন্নাথ সরকার বিধায়ক পদ থেকে ইস্তফা দেওয়ায়। তারপর মুকুল রায়ও বিজেপি ছেড়ে চলে যায়।

মুকুল রায় বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দিয়ে বিজেপির অনেক বিধায়ককে তাদের দলে টানার চেষ্টা করছে। ফলে ভবিষ্যতে বিজেপি প্রার্থী আরও কমে যেতে পারে। একই সঙ্গে এক অস্বস্তিকর পরিবেশের তৈরী হয়েছে।

ইতিমধ্যে বিজেপির দু’একজন প্রার্থী দল ছাড়ার ইঙ্গিত দিয়েছেন। ৩০-৩৫ জন বিজেপি প্রার্থী তৃনমূলের সাথে যোগাযোগ করেছে তাদেরকে দলে নেওয়ার জন্য। বেসুরো গেয়েছেন। বিজেপি দলের ভাঙন রুখতে কড়া তৎপর হয়েছে এবং তারা জানিয়েছেন, ২০২৬-এর নির্বাচনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মতো এত বড় প্রার্থীকে হারাতে গেলে পাঁচ বছর আগে থেকেই পরিকল্পনা করতে হবে।

বিজেপি জানিয়েছে এবছর কোনও মুখ না থাকায় বাংলায় ক্ষমতা দখলের স্বপ্ন ব্যর্থ হয়েছে। কিন্তুপরেরবার একই ভুল আর হবে না। আগামী বিধানসভা নির্বাচনে একজনকে মুখ করে লড়তে চায় বিজেপি। এই ব্যাপারে ওয়াকিবহাল মহল জানিয়েছে, বিজেপিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মতো নেত্রীর অভাব রয়েছে। তবে মমতার বিরুদ্ধে একমাত্র লড়তে পারে শুভেন্দু।

শুভেন্দুকে মুখ করে লড়াই করতে চাইছে বিজেপি। তাকে কিছুদিন আগে দিল্লীতে ডেকে পাঠিয়ে এই বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। এছাড়াও বাংলা থেকে আরও কয়েকজন সাংসদকে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী করে ময়দানে নামতে চাইছে বিজেপি হাইকম্যান্ড। লকেট চ্যাটার্জী, দিলীপ ঘোষ, নিশীথ প্রামাণিক, সুভাষ সরকার, সৌমিত্র খাঁ- এদেরকে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী করে ময়দানে নামতে চাইছে বিজেপি।

বিজেপি দলে থাকা কিছু দলবদলকারী নেতাদের জন্য তারা একটু সমস্যার মুখোমুখি হচ্ছেন। তবুও তারা আগামী ৫ বছর শুভেন্দু অধিকারীর হাত ধরে বাংলায় আরও সংগঠন মজবুত করতে চলেছেন। তবে দক্ষিণবঙ্গ ও উত্তরবঙ্গের দিকে একটু বেশি করে নজর রাখছে বিজেপি।

Back to top button