বড় খবর: তৃণমূলে যোগ দিতে পারেন ২৫ BJP বিধায়ক, ২ সাংসদ

নিজস্ব প্রতিবেদন: মুকুল রায়ের দলবদলের পর থেকেই বিজেপির বহু নেতা বেরিয়ে আসতে চাইছেন।আর এ নিয়ে জল্পনা তুঙ্গে।মুকুল রায় নিজে বলেছেন যে তিনি অনেক নেতার সাথে কথা বলেছেন যারা আবার তৃনমুলে ফিরতে চায়। তাহলে কি মুকুলের হাত ধরেই ভাঙ্গন ধরলো গেরুয়া শিবিরে তা নিয়ে জল্পনা তুঙ্গে।শুভ্রাংশু রায় বলেন যে ২৫ জন বিজেপি বিধায়ক ও ২ জন সাংসদ তৃনমূলের সাথে যোগাযোগ রাখছে।তার এই বক্তব্যে ভীষণ ভাবে চর্চা চলছে রাজনৈতিক মহলে।

দেখা যায় যে, মুকুল ও তার পুত্র তৃণমূলে ফেরার পরই BJP-র একাধিক নেতা তৃনমূলে ফিরতে চাইছে।রাজীবের ফেরা নিয়েও চলছে জল্পনা।মুকুলের ফেরার পরদিনই রাজীবের কুণালের সাথে দেখা করায় এক অন্য আভাস পাওয়া যাচ্ছে। অন্য দিকে তৃনমূলে ফিরতে তৎপর হয়ে উঠেছেন সোনালি গুহ, সরলা মূর্মু, বাচ্চু হাঁসদারা সহ বহু নেতা।

মুকুলকে ঘরে ফেরানোর পর মমতা ব্যানার্জী পরিষ্কার জানান যে সবাইকে দলে ফেরানো হবে না। এই প্রসঙ্গে মমতা ব্যানার্জী বলেন যে, ‘যাঁরা গদ্দারি করেছেন, চরমপন্থী, নিম্নরুচির পরিচয় দিয়েছেন, তাঁদের নেব না’। এও বলেন যে, ‘আগামী দিনে আরও অনেকেই BJP ছেড়ে তৃণমূলে ফিরবেন’। মুকুল রায়ও এদিন ইঙ্গিত দিয়েছেন, ‘আগামী দিনে আরও অনেকে ফিরবেন’।

অন্য দিকে মুকুল রায়ে তৃণমূলে ফেরার পর হুঁশিয়ারি দেন শুভেন্দু অধিকারী । শুভেন্দু বলেন যে, ‘দলত্যাগ বিরোধী আইন কার্যকর হয়নি বাংলা। পদ্ধতি জানি। আমি বিরোধী দলনেতা হিসেবে বলছি, দলত্যাগ বিরোধী আইন কার্যকর করে দেখাব’। মুকুল রায়ের তৃণমূলে দলবদলের পর আরও কয়েকজন বিজেপির নেতার দলবদল ঘিরে নানা জল্পনা সামনে আসছে আর তখন তার এমন মন্তব্য বিশেষ ভাবে উল্লেখযোগ্য বলে মনে করা হচ্ছে।

শুভেন্দু অধিকারী আরও বলেন যে, ‘২-৩ মাস সময় লাগবে। দলত্যাগ বিরোধী আইন মেনে দল বদল করতে হবে। আমি শুভেন্দু অধিকারী সাধারণ ভোটার হিসেবে BJP-তে যোগ দিয়েছি। মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী ও তাঁর দল যে আইনের ঊর্ধ্বে নয়, সেটা প্রতিষ্ঠা করার দায়িত্ব আমার। দলত্যাগ বিরোধী আইন কার্যকর করা নিয়ে দেশের আইনমন্ত্রী রবিশংকর প্রসাদের সঙ্গে কথা বলেছি’।।

Back to top button