Baishakhi Banerjee: মাঝরাস্তায় খুলে গিয়েছিল কমলা শাড়ি, টেরই পাননি শোভন বান্ধবী বৈশাখী!

বংট্রেন্ডি অনলাইন ডেস্ক: হিন্দি তে একটি প্রবাদ আছে “পিয়ার কিয়া তো ডরণা ক্যায়া” অর্থাৎ ভালোবাসলে আবার ভয় কীসের। এই প্রবাদটিকেই নিজেদের জীবনে বারংবার সত্যি প্রমাণ করেছেন শোভন ও বৈশাখী। প্রিয়তমার জন্মদিনকে মনে রাখার মতো করতে কোনো কার্পণ্য করেননি শোভন চট্টোপাধ্যায়। গতকাল ছিল বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্মদিন। সেই জন্মদিনের সেলিব্রেশন 24 তারিখ রাত 12 টা থেকে 25 তারিখ মধ্যরাত অবধি চলেছে।

24 তারিখ রাত 12 টায় প্রিয়তম শোভন চট্টোপাধ্যায় কে পাশে নিয়ে কেক কেটেছেন বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়। জন্মদিনে বৈশাখীকে কী উপহার দিলেন শোভন? এর উত্তরে জানা গেছে কোনো সাধারণ উপহার নয় ভালোবাসায় মোড়ানো উপহার দিয়েছেন শোভন তার প্রিয়তমা বৈশাখীকে। বৈশাখী জানিয়েছেন , “আমার অস্তিত্বটাই তো শোভনের উপহার দেওয়া।” আর শোভন জানিয়েছেন , “একে অপরের পাশে থাকা, একে অপরের সঙ্গে থাকাটাই জীবনের প্রকৃত উপহার।”

জানিয়ে রাখি গত মাসেই বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায় স্বামী মনোজিতের থেকে আইনি ভাবে আলাদা হয়েছেন। বৈশাখীর ডিভোর্সে যে শোভন খুব খুশি হয়েছেন শোভন তা বলাই বাহুল্য। এই প্রসঙ্গে বলেছেন যে এতদিন পর মুক্তির স্বাদ পেয়েছেন বৈশাখী। এই দুই কপোত কপোতীর নানা রকম ছবি ও ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হতেই থাকে। এই নিয়ে প্রচুর ট্রোলও হতে হয় তাদের। কিন্তু ট্রোলারদের বুড়ো আঙুল দেখিয়ে নিজেদের কাজ করতে থাকেন। একে অপরকে জন সমক্ষে ভালোবাসা দেখাতে লজ্জিত বা কুন্ঠা বোধ করেন না তারা। দীর্ঘদিন ধরে সহবাস করছেন তারা। বর্তমানে বৈশাখীর মেয়ে মহুলও তাদের সাথেই থাকছে।

এই প্রেমিক জুটির ভালোবাসা সম্পর্কে তো সকলেরই জানা। তাই আজ আর আমরা সেই নিয়ে কথা বলব না। বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়ের শাড়ির প্রতি অসামান্য প্রেম আছে। শোনা যায় তার 10 টি আলমারি ভর্তি শুধু শাড়িই আছে। তাকে অবশ্য সর্বদা নিত্য নতুন শাড়ি পরতে দেখা যায়। কিন্তু এই শাড়িই একদিন তার লজ্জার কারণ হয়েছিল।

বৈশাখীর ছোটো বেলায় একবার তার বাবা একটি কমলা রঙের শাড়ি তাকে কিনে এনে দেন। অবশ্য সেই শাড়ি খুব একটা পছন্দ হয়নি বৈশাখীর। তবুও বাবার মন রাখতে সেই শাড়ি পরে বান্ধবীর সাথে ঘুরতে যান তিনি। কিন্তু হঠাৎ দেখেন ছেলেরা হা করে তার দিকে তাকিয়ে আছে। কারণ না জানলেও বেশ লজ্জা পেয়েছিলেন তিনি। এরপর বাড়ি এসে দেখেন তার শাড়ি রাস্তাতেই খুলে গিয়েছিল এবং সেই অবস্থাতেই ঘুরেছেন তিনি।

Back to top button