আবার রাজ্যে ঘূর্ণিঝড়ের আশঙ্কা, জারি হল কেন্দ্রীয় সতর্কতা

নিজস্ব প্রতিবেদন: কয়েকদিন ধরেই মহারাষ্ট্র, গুজরাট, কর্ণাটক , তামিলনাড়ুতে তান্ডব চালাচ্ছে শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড়। এই ঝড়ে ৭ জনের মৃত্যু হয়েছে গুজরাটে, ভয়াবহ আঘাত হেনেছে মুম্বাই উপকূলেও, এর প্রভাব সবথেকে বেশি গোয়াতে। কর্নাটকে এখনো পর্যন্ত চারজন মারা গিয়েছে বলে সূত্রের খবর। মুম্বাইতে ৬জন নিহত এবং ৯ জন আহত। এবার ‘যশ’ নামক আরেক শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় আসলে পড়তে চলেছে পশ্চিমবঙ্গের বুকে।

ঝড়ের উৎপত্তিস্থল বঙ্গোপসাগরে। আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে ২৩-শে মে থেকে 25-শে মে এর মধ্যে যথেষ্ট শক্তি নিয়ে সুন্দরবন এলাকা আছড়ে পড়বে এই ঝড়। পরে অভিমুখ পরিবর্তন করে চলে যাবে বাংলাদেশে। আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে উত্তর আন্দামানে একটি গভীর নিম্নচাপের সৃষ্টি হবে যার ফলে ২২-শে মে এই ঘূর্ণিঝড়ের উৎপত্তি হবে। এই ঝড় উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে পশ্চিমবঙ্গ-উড়িষ্যা উপকূল অঞ্চলে আছড়ে পড়ে বলে আবহাওয়া সূত্রে খবর।

তারপর নিজের ক্ষমতা বাড়িয়ে রাজত্ব করবে এই ঝড়। এই ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে ২৫-শে মে থেকে পশ্চিমবঙ্গের উপকূলীয় জেলাগুলোতে প্রবল ঝড় বৃষ্টি হতে পারে। এই ঘূর্ণিঝড় সবথেকে বেশি প্রভাব ফেলতে পারে কলকাতা, উত্তর ২৪ পরগণা, দক্ষিণ ২৪ পরগণা , দীঘা এবং শঙ্করপুরে।

মৎস্যজীবীদের সমুদ্র যেতে নিষেধ করা হয়েছে ২৪-শে মে থেকে। পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকার মুখ্য সচিবের নেতৃত্বে আধিকারিকদের সাথে একটি বৈঠক করেছেন এই ঝড়ের মোকাবিলা নিয়ে। এই ঝড়ের মোকাবিলায় যথেষ্ট মাত্রায় ত্রাণের ব্যবস্থা রাখতে বলা হয়েছে জেলা শাসকদেরকে। এছাড়াও তৈরি রাখা হয়েছে সাইক্লোন সেন্টারও।

Back to top button