মুকুলের পর তৃণমূলের দিকে পা বাড়িয়ে বিজেপির এই দুই নেতা, অশনি সঙ্কেত গেরুয়া শিবিরে

নিজস্ব প্রতিবেদনদল বদল শুরু হয়েছে আবার।২১ এর নিবাচনের আগে তৃনমূলের বহু নেতা বিজেপিতে চলে যায়।অনেকে আবার অভিযোগ করেন যে তারা দলে থেকে কোনো কাজ করতে পারছে না।কিন্তু ফলাফল বার হওয়ার পর খেলা ঘুরে গেল।ক্ষমতায় এলো তৃনমুল।আর তার পর থেকেই আবার সেই পুরনো দলে ফিরতে চাইছে ছেড়ে চলে আসা নেতারা।

এমনকি আজ বিকেলে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে মুকুল রায়ের বৈঠক হয়। রাজনৈতিক মহলের মতে মুকুল হয়তো ঘাসফুলে আবার যোগদান করতে পারেন।বেশ কয়েকদিন ধরেই বিজেপির সাথে তার দূরত্ব বেড়েছে।বিশেষ ভাবে তার স্ত্রী অসুস্থ হওয়ার পর থেকেই এই জল্পনা আরো বাড়ে।এমনকি দিলীপ ঘোষের বৈঠকে তিনি অনুপস্থিত ছিলেন।তিনি বলেন যে বৈঠকের কথা তিনি জানতেন না।আর তার পর থেকেই আরো স্পষ্ট হয় তার দল পরিবর্তনের জল্পনা।

এখন আবার নুতুন এক জল্পনা সামনে এলো। মুকুল রায় গেরুয়া শিবির ছাড়লে রাজীব ব্যানার্জী ও সব্যসাচী দত্ত তারাও দল ছাড়বেন।দেখা যায় যে, নির্বাচনের পর থেকে দলের বিরুদ্ধে গিয়েছেন এই দুই নেতা। সব্যসাচী যেমন বলেন যে, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড় করার মতো কেও ছিলনা বিজেপির কাছে। তিনি বলেন সব সময় নেতিবাচক রাজনীতি করলে কখনো জেতা যায় না। তেমনি আরেকদিকে প্রকাশ্যে দলের নামে সমালোচনা করেন রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়ও। কিছুদিন আগেই সোশ্যাল মিডিয়ার পোস্টে তিনি লেখেন যে, সব সময় ৩৫৬ ধারার ভয় দেখালে মানুষ কখনো ভালোভাবে নেবে না।

সেই ভাবে বিজেপির তরফের সরাসরি কোন শোকজ না করা হলেও ইতিমধ্যেই তাদের সঙ্গে কথা বলেন বিজেপির শৃঙ্খলা রক্ষা কমিটির চেয়ারম্যান ডঃ সুভাষ সরকার। তবে বোঝা যায় যে কয়েকদিনে রাজীব এবং সব্যসাচীর সাথে দলের দূরত্ব অনেকটাই বেড়েছে । একের পর এক বৈঠকে তারা অনুপস্থিত থাকে।

অনেকের ধারণা মুকুলের কারণেই তৃণমূল ছাড়েন সব্যসাচী। মুকুলকে তিনি প্রথম থেকেই দাদা বলে মান্যতা দেন তিনি। তাই মুকুল দল বদলালে দলবদল করতে পারেন সব্যসাচী-রাজীবও।কিন্তু তৃনমুল কি তাদের ফেরাবে এটাই বড় প্রশ্ন। ইতিমধ্যেই, অনেকে মমতা ব্যানার্জীর কাছে চিঠি লিখেছেন ফেরার আসায়। তাদের মধ্যে হলেন, দীপেন্দু বিশ্বাস, সোনালী গুহ, সরলা মুর্মুর মত একাধিক নেতা নেত্রীরা। আগামী দিনে রাজীব ও সব্যসাচীকে দল ফিরিয়ে নেবে সেই দিকেই সবাই চেয়ে বসে আছে।।

Back to top button