১০ লক্ষ টাকার স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ডের দারুণ ৮ টি সুবিধা, রইল ৮টি গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট!

নিজস্ব প্রতিবেদন: রাজ্য সরকার রোগীদের জন্য স্বাস্থসাথী কার্ড এবং ছাত্রছাত্রীদের জন্য স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ডের ব্যবস্থা করেছেন তা খুবই প্রশংসনীয়। উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার জন্য ছাত্রছাত্রীদের ট্যাব কেনার ও টাকা দিয়েছিলেন তিনি। তবে এর রেশ কাটনে না কাটতেই তিনি প্রকাশ করলেন আর এক বড় প্রকল্প , যার নাম হলো স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ড। ভোটের আগে ইশতেহারে স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ডের উল্লেখ ছিল। তার জানিয়েছিলেন তিনি রাজ্যের বুকে চালু করবেন এই প্রকল্প।

আমাদের রাজ্যে বহু ছেলেমেয়ে আছে যারা টাকা পয়সার অভাবে পড়াশুনা করতে পারেনা। তাদের প্রতিভা তুলে ধরার জন্য তিনি ঘোষণা করলেন স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ডের কথা। এই কার্ডে দেওয়া হবে ১০ লক্ষ টাকার ঋণ। তবে এই স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ড এর কিছু গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য রয়েছে বা নিয়ম রয়েছে যেগুলো আপনার জানা অত্যন্ত জরুরি। দেখেনিন সেই গুলো –

১) প্রথম যে নিয়ন্ত্রণ রয়েছে সেখানে আপনাকে জানানো হচ্ছে যে আপনি যত টাকা ঋণ নেবেন তার 4% সুদে হিসেবে আপনাকে ঋণ পরিশোধ করতে হবে এবং খুব সহজ-সরল পদ্ধতিতে এই ঋণ শোধ হবে বলে জানা যাচ্ছে।

২) স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে ঋণ নিতে গেলে কোনো রকম কোনো গ্যারান্টি আগে প্রয়োজন হবে না সরকারের নিজস্ব গ্যারান্টার যার ফলে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ গুলি অভিভাবক দের উপর স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি নিয়ে কোনো রকম কোনো চাপ দিতে পারবেন না।

৩) এই ঋণ পাওয়া যাবে যে সকল ব্যাঙ্কগুলি থেকে সেগু-লি হল যে কোন রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্ক, বেসরকারি ব্যাঙ্ক, কো-অপারেটিভ ব্যাঙ্ক এবং আঞ্চলিক গ্রামীণ ব্যাঙ্ক।

৪) আবেদনকারী বয়স 40 বছর বা তার কম হতে হবে অর্থাৎ সর্বোচ্চ 40 বছর পর্যন্ত এই ঋণ নেওয়া যাবে ।

৫) আবেদনকারীকে অন্তত দশ বছর বা তার বেশি পশ্চিমবঙ্গের স্থায়ী বাসিন্দা হতে হবে তবেই তিনি প্রকল্পের আওতায় অন্তর্ভুক্ত করতে পারবে নিজেকে

৬) এই প্রকল্পের সুবিধা নিতে পারবেন সেই সকল পরীক্ষার্থীরা যারা মাধ্যমিক, উচ্চ মাধ্যমিক, উচ্চ শিক্ষা, পেশাদার শিক্ষায় দেশে-বিদেশে যেকোনো জায়গায় পড়াশোনার জন্য। এছাড়াও ঋণ নেওয়া যাবে প্রতিযোগিতামূলক কোচিং সেন্টারে কোচিং নেওয়ার জন্য।

Back to top button