“আমি নিজেই বুঝতে পারিনা কোন দলে পড়ি”- মদন মিত্রের এই মন্তব্যের কারনে উত্তাল বঙ্গ রাজনীতি

বং ট্রেন্ডি ডিজিটাল ডেস্ক: করোনায় মৃত ব্যক্তির ঘন্টার পর ঘন্টা বাড়িতেই পড়ে থাকছে মৃতদেহ। এছাড়াও করোনা আক্রান্ত রোগীরা চিকিৎসার জন্য হাসপাতালের চক্কর কেটেও ভর্তী হতে পারছেন না। করোনায় মৃতদের বহনের জন্য পাওয়া যাচ্ছে না অ্যাম্বুলেন্স। দেশের বিভিন্ন জায়গায় দেখা গিয়েছে, করোনায় মৃত ব্যক্তিদের নিয়ে যাওয়ার জন্য ইচ্ছামত দর বলে বসছেন অ্যাম্বুলেন্স চালকরা।

ভ্যাকসিন এখনো পর্যন্ত সারা দেশবাসীকে দেওয়া সম্ভব হয়ে উঠছে না। কার্যত অচল অবস্থা সারা দেশজুড়ে। এই পরিস্থিতিতে অনেকেই ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে ও কটাক্ষ করছেন। একদিকে মানুষের মৃত্যু ঘটছে সুপরিকাঠামোর অভাবে আবার অপরদিকে পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে লোভী মানুষগুলো লুট চালাচ্ছে অসহায় মানুষদের ওপর। এই পরিস্থিতিতে এক মন্তব্য করে বিতর্ক উস্কে দিয়েছেন কামারহাটির তৃণমূল বিধায়ক মদন মিত্র।

মাঝে মাঝে ফেসবুকে লাইভ ভিডিওতে দেখা যায় মদন মিত্র কে। বিভিন্ন রসিকতা সহ নানান বিষয়ে তিনি লাইভ এ এসে কথা বলেন। এবার তিনি সোচ্চার হয়েছেন রাজ্য জুড়ে করোনা পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে একদল মানুষের এই ব্যাভিচারিতা, লুঠেরদের বিষয়ে । কয়েকদিন আগেই তিনি এক অ্যাম্বুলেন্স চালক কে ধমক দিয়েছিলেন অতিরিক্ত ভাড়া নেওয়ার জন্য। এবার তিনি ফেসবুকে সরব হয়ে বলেছেন,”হসপিটালে বেড নেই , ১০০ দিশি ১০০০ টাকায় ব্ল্যাক হচ্ছে। মাঝেমধ্যে আমার সন্দেহ হয়, আমি ঠিক কোন দলে পড়ি। আমি এগুলো আর মেনে নিতে পারছি না।”

“এই মন্তব্যে যথেষ্ট সরগরম হয়ে উঠেছে রাজ্যর রাজনীতি। কিন্তু মদন মিত্র তাঁর বক্তব্যে অনড় আছেন। তিনি বলেছেন, “প্রতিবাদ তো করবোই। আমি যে কথাটা বলেছি সেটা হল এই ধরনের বিষয়গুলোকে বন্ধ করা হোক।”শাসক দলের এক মন্ত্রীর এই ধরনের মন্তব্যকে হাতিয়ার করে সরব হয়েছে বিরোধীদলের নেতা নেত্রীরা। ডিওয়াইএফআইয়ের রাজ্য সম্পাদক সায়নদীপ মিত্র বলেছেন , “রাজ্য সরকারের বিধায়ক হিসেবে উনারও দায়িত্ব নেওয়া উচিত। উনার শুধু অভিযোগ করাটাই কাজ নয়। উনারাও এর জন্য বিশেষ ভাবে দায়ী। তৃণমূল কংগ্রেসের মদতেই এই ঘটনাগুলো ঘটে চলেছে।”

Back to top button