ক্রমশ শক্তি বাড়িয়ে বাংলার অভিমুখে এগিয়ে আসছে “যশ”, উপকূলবর্তী জেলাগুলিতে হতে চলেছে বৃষ্টি

নিজস্ব প্রতিবেদনআমফান-এর রেশ কাটিয়ে উঠতে না উঠতেই বাংলায় আসতে চলেছে আর এক ঘূর্ণিঝড় ‘যশ’। বাংলার দিকে গভীর নিম্নচাপ এগিয়ে আসছে বলে খবর আবহাওয়া দপ্তরের তরফ থেকে। এই নিম্নচাপ থেকে ঘূর্ণিঝড় ‘যশ’ এর সৃষ্টি হতে চলেছে আগামীকাল। গতকাল রাত্রে বেলায় কলকাতা সহ দক্ষিণবঙ্গের কোনো কোনো জেলায় বজ্রবিদ্যুৎ সহ হালকা বৃষ্টির সঙ্গে ঝোড়ো হাওয়া দেখা গিয়েছে। আজ অর্থাৎ সোমবার অস্বস্তিকর গরম থাকবে বলে জানানো হয়েছে আবহাওয়া দপ্তর এর তরফ থেকে। উপকূলবর্তী অঞ্চলে আজ বিকাল থেকে দেখা মিলতে পারে বৃষ্টির। আগামীকাল থেকে দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টির পরিমাণ বাড়তে থাকবে।

আবহাওয়া দপ্তর থেকে জানানো হয়েছে, আগামীকাল অর্থাৎ মঙ্গলবার এই নিম্নচাপ থেকে ঘূর্ণিঝড় সৃষ্টি হয়ে ১৫৫ থেকে ১৬৫ কিলোমিটার প্রতি ঘন্টা বেগে আছড়ে পড়বে পারাদ্বীপ এবং সাগরদ্বীপ এর মধ্যবর্তী যেকোন এলাকায়। ইতিমধ্যেই কলকাতায় বিশাল বিপর্যয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে ঘূর্ণিঝড় পরবর্তী পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য। যার মধ্যে আছে জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীর ১০ টি দল, সিভিল ডিফেন্সের ১০ টি দল, কলকাতা পুলিশের ২২ টি দল এবং বনদপ্তরের ১৬ টি দল।

পশ্চিমবঙ্গের সমুদ্র সৈকতগুলি অর্থাৎ বকখালি সমুদ্র সৈকত থেকে শুরু করে দীঘা, মন্দারমনি তাজপুর, সব জায়গা থেকে পর্যটকদের তুলে নেওয়া হয়েছে। যথেষ্ট সতর্কতামূলক প্রচার চালিয়ে যাচ্ছে এদিকে এবং মন্দারমনির স্থানীয় প্রশাসন।সুন্দরবন , বকখালি এবং ফ্রেজারগঞ্জে নজরদারি চালানো হচ্ছে ড্রোন এবং হেলিকপ্টারের মাধ্যমে। বাসিন্দাদের সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে নিরাপদ স্থানে, মৎস্যজীবীদের কড়াভাবে নিষিদ্ধ করা হয়েছে সমুদ্রে নামতে। বুধবার প্রবল বৃষ্টি দেখা দিতে পারে কলকাতা, দুই মেদিনীপুর, দুই ২৪ পরগণা এবং ঝাড়গ্রামে। আবহাওয়া দপ্তরের তরফে জানানো হয়েছে নিম্নচাপের অবস্থান বর্তমানে দীঘা থেকে ৬৫০ কিলোমিটার দূরে

Back to top button